গত জুন মাসের শেষের দিকে দাঙ্গোটে গ্রুপ আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের কাছে এই মেগা-প্রকল্পের প্রস্তাবটি পেশ করে। প্রস্তাব অনুযায়ী, বন্দরটি ওলোকোলা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে (Olokola Free Trade Zone) নির্মাণ করা হবে। সার, সিমেন্ট, তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো বিভিন্ন শিল্পের নিয়ন্ত্রক দাঙ্গোটে গ্রুপের জন্য তাদের বিপুল পরিমাণ পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এই বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগ্রহের বিষয় হলো, দাঙ্গোটে গ্রুপ এই ওলোকোলা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের প্রকল্পটি একবার পরিত্যাগ করেছিল। স্থানীয় পূর্ববর্তী প্রশাসনের সঙ্গে বোঝাপড়ার অভাবে তখন এই প্রকল্প থেকে সরে আসে গ্রুপটি। সেই সময়কার পরিকল্পনা অনুযায়ী, দাঙ্গোটে গ্রুপের সার ও পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টগুলোও এই অঞ্চলেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্ল্যান্টগুলো প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে লাগোসের কাছে স্থাপন করা হয়। নতুন করে বন্দর নির্মাণের এই প্রস্তাবকে দাঙ্গোটে গ্রুপের সঙ্গে ওগুন প্রদেশের বর্তমান প্রশাসনের উন্নত সম্পর্কের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আপাতত, বন্দর নির্মাণের এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এই মেগা-প্রকল্পটি সবুজ সংকেত পেলে এটি কেবল দাঙ্গোটে গ্রুপের জন্যই নয়, সমগ্র নাইজেরিয়ার অর্থনীতি এবং পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য একটি ‘গেম-চেঞ্জার’ হবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা।
---