কঙ্গোতে যখন শান্তি আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে, ঠিক তখনই দেশটির পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী বিদ্রোহী গোষ্ঠী এম-২৩ (M23) সাত হাজারেরও বেশি নতুন সেনার এক বিশাল সামরিক মহড়া দিয়েছে, যা শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সপ্তাহান্তে কঙ্গোর গোমা শহরে আয়োজিত এই মহড়া এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন কঙ্গো এবং রুয়ান্ডা (এম-২৩ এর প্রধান সমর্থক) এর মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা চলছে।
বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, এই নতুন সেনারা হলো আত্মসমর্পণকারী কঙ্গোলিজ সৈন্য এবং স্থানীয় মিলিশিয়া সদস্য।
তবে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো মানবাধিকার সংস্থাগুলো ‘জোরপূর্বক ভারতী’র বিষয়ে জন্ম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, এম-২৩ তরুণদের চাপ দিয়ে তাদের দলে যোগ দিতে বাধ্য করছে।
এই সামরিক শক্তি প্রদর্শন শান্তি আলোচনার ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যে শান্তি চুক্তিতে রুয়ান্ডার সমর্থন প্রত্যাহার এবং এম-২৩ এর দখলকৃত এলাকা ছেড়ে দেওয়ার কথা, সেই চুক্তির প্রাক্কালে এমন মহড়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীর আসল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
উল্লেখ্য, এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে কঙ্গোতে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এই সংঘাতে এম-২৩ এবং কঙ্গোর সেনাবাহিনী—উভয় পক্ষের দ্বারাই সংঘটিত ‘ভয়াবহ নৃশংসতা’র চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।