মাওয়াঙ্গির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তিনটি টিয়ার গ্যাসের ক্যানিস্টার রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তার আইনজীবী এবং কেনিয়া মানবাধিকার কমিশন এই মামলাকে একটি "সাজানো অভিযোগ" বলে নিন্দা জানিয়েছে। সংক্ষিপ্ত শুনানির পর আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দেয়। আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের কাছে মাওয়াঙ্গি নিজেকে এই আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে মানতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এই প্রতিবাদের আসল চালিকাশক্তি কেনিয়ার তরুণ প্রজন্ম, যারা 'জেন জি' আন্দোলন নামে পরিচিত। তাদের সাহসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "এই তরুণেরা এতটাই সাহসী যে, তারা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় নিজেদের মৃত্যুসংবাদ পর্যন্ত লিখে রেখে আসে। সরকার এই আন্দোলনকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক করার যে চেষ্টা করছে, তা খুবই দুর্বল একটি চাল।"
প্রেসিডেন্ট রুটোর প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মাওয়াঙ্গি বলেন, "আমরা রুটোর হৃদয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছি এবং রুটো জানেন যে তাকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে, কারণ আসল সন্ত্রাসী তো তিনিই। আমরা সন্ত্রাসী নই, আমরা সন্ত্রাসীদের শিকারি। আমরা রুটোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য শিকার করছি, কারণ তিনি আমাদের হত্যা করছেন এবং আমরা সরকারের হাতে নিহত হতে হতে ক্লান্ত। কেনিয়ায় এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রেসিডেন্ট রুটোর প্রস্তাবিত একটি বিতর্কিত কর বৃদ্ধির পরিকল্পনার পর। ধীরে ধীরে এই আন্দোলন দুর্নীতি এবং সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিরুদ্ধে একটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়। সরকারের আইনি চাপ সত্ত্বেও আন্দোলন যে থামছে না, তার ইঙ্গিত দিয়ে আগামী ৮ আগস্ট নতুন করে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
---