সোনকোর এই বক্তব্যের পর তার সমর্থকরা সামাজিক মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে সরব হয়েছেন। অনেকেই প্রেসিডেন্ট ফায়েকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, সোনকোর জনপ্রিয়তা এবং ত্যাগের কারণেই তিনি আজ এই পদে আসীন হয়েছেন। তাদের এই আক্রমণাত্মক মনোভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ফায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি বারবার আশ্বাস দিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী সোনকোর সঙ্গে তার কোনো সমস্যা নেই এবং তিনি সোনকোকে এখনও তার "বন্ধু" হিসেবেই বিবেচনা করেন। প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মহলও এই ফাটল ঢাকার চেষ্টা করছে, কিন্তু তাতে বিশেষ কাজ হচ্ছে না।
একসময় যে সম্পর্ককে সেনেগালের নবগঠিত সরকারের স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছিল, তা এখন চাপের মুখে। তাদের দল 'পাসতেফ' (PASTEF)-এর মধ্যেও এই বিভাজন নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই নেতার মধ্যে 'রাজনৈতিক বিচ্ছেদ' এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। প্রেসিডেন্ট ফায়ে বারবার ঐক্যের বার্তা দিলেও প্রধানমন্ত্রী সোনকোর প্রকাশ্যে আনা এই অসন্তোষ ও কর্তৃত্বের অভাবের অভিযোগ দেশটির সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে। সেনেগালের জনগণ এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে তাদের শীর্ষ দুই নেতার এই ক্ষমতার লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে আছে।
---