একইভাবে মেক্সিকোকে পাঠানো চিঠিতে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, উত্তর আমেরিকাকে "মাদক পাচারের স্বর্গ" হওয়া থেকে আটকাতে মেক্সিকো যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। ট্রাম্পের এই হুমকিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডার লায়েন জানিয়েছেন, তারা আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী, তবে ইউনিয়নের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে "যথাযথ পাল্টা ব্যবস্থা" নিতেও প্রস্তুত। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই ঘোষণার তীব্র নিন্দা করে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতির কথা বলেছেন। জার্মানির মোটরগাড়ি শিল্প এই পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কারণ এতে তাদের উৎপাদন খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে।
অন্যদিকে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাম আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, "দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কখনো কোনো আলোচনা হতে পারে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেক্সিকোই শুধু নয়, ট্রাম্পের এই আগ্রাসী বাণিজ্য নীতির লক্ষ্য আরও অনেক দেশ। সম্প্রতি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা ও ব্রাজিলের ওপরও নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ১ আগস্টের আগে কোনো সমাধানে পৌঁছানো না গেলে বিশ্ব একটি নতুন বাণিজ্য যুদ্ধের মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
---