এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় মূলত অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডির এক মন্তব্যকে ঘিরে। তিনি গত সপ্তাহে বলেছিলেন, এপস্টাইনের কোনো ‘খদ্দেরের তালিকা’ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাঁর এই মন্তব্যে ট্রাম্পের সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়, কারণ তারা মনে করেন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আড়াল করতেই তথ্য গোপন করা হচ্ছে। চাপ বাড়ান ট্রাম্পের নিজ দলের নেতারাই। হাউস স্পিকার মাইক জনসন থেকে শুরু করে কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেলর গ্রিনসহ একাধিক প্রভাবশালী রিপাবলিকান নেতা এই বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন। স্পিকার জনসন বলেন, "সবকিছু জনসমক্ষে প্রকাশ করে জনগণের ওপরই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দেওয়া উচিত।"
নিজ দলের এই চাপের মুখেই কার্যত অবস্থান বদলাতে বাধ্য হন ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি বলেন, "অ্যাটর্নি জেনারেল বিষয়টি খুব ভালোভাবে সামলাচ্ছেন এবং সিদ্ধান্ত তাঁর ওপরই নির্ভর করছে।" তবে একইসঙ্গে তিনি এপস্টাইন মামলাকে "নোংরা কিন্তু একঘেয়ে" বলেও মন্তব্য করেন।এদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি মঙ্গলবার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সব মিলিয়ে, এপস্টাইন বিতর্ক ট্রাম্প প্রশাসনকে এক বিরল রাজনৈতিক সংকটে ফেলেছে। তাঁকে একদিকে নিজ সমর্থকদের চাপ এবং অন্যদিকে প্রশাসনের প্রতিষ্ঠিত অবস্থান— এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে, যা তাঁর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
---