নিহত ব্যক্তির নাম কিথ ম্যাকঅ্যালিস্টার বলে তার স্ত্রী অ্যাড্রিয়েন জোন্স-ম্যাকঅ্যালিস্টার শনাক্ত করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক হৃদয়বিদারক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, হাঁটুতে এমআরআই স্ক্যান করানোর পর তার স্বামীকে তিনি সাহায্য করার জন্য ডেকেছিলেন। কিথ ব্যায়ামের জন্য ব্যবহৃত প্রায় ৯ কেজি ওজনের একটি তালাসহ চেইন গলায় পরেছিলেন। অ্যাড্রিয়েন বলেন, "তিনি কক্ষে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই মেশিনটি তাকে ঘুরিয়ে সজোরে টেনে নেয় এবং তিনি মেশিনের গায়ে গিয়ে আঘাত পান। আমি চিৎকার করে টেকনিশিয়ানকে মেশিনটি বন্ধ করতে বলছিলাম, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।"
এমআরআই মেশিন অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের বিস্তারিত ছবি তৈরি করে। এই কারণে স্ক্যান করার আগে রোগীদের শরীর থেকে সব ধরনের ধাতব বস্তু, যেমন- গয়না, চাবি, মোবাইল ফোন ইত্যাদি খুলে ফেলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেশিনের চৌম্বক ক্ষেত্র যেকোনো আকারের ধাতব বস্তুকে তীব্র গতিতে আকর্ষণ করতে পারে, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এর আগেও এমন দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। ২০০১ সালে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে এমআরআই মেশিনের আকর্ষণে একটি অক্সিজেন ট্যাংক উড়ে গিয়ে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মাথায় আঘাত করলে তার মৃত্যু হয়। কিথ ম্যাকঅ্যালিস্টারের মৃত্যুর ঘটনাটি বর্তমানে খতিয়ে দেখছে স্থানীয় পুলিশ।
---