আজ মঙ্গলবার আরবিএ বোর্ডের বৈঠকের পর এই ঘোষণা আসে। দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি কমে আসার প্রেক্ষাপটে প্রায় সবাই নিশ্চিত ছিলেন যে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সুদের হার কমানো হবে। কিন্তু বোর্ড ৬-৩ ভোটে হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে রায় দেয়, যা বাজারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। বৈঠকের পর আরবিএ গভর্নর মিশেল বুলক এই সিদ্ধান্তকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে দেখতে নারাজ। তিনি বলেন, "মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেওয়াই হবে আসল বিশ্বাসঘাতকতা। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে এই সমস্যার সমাধান চূড়ান্তভাবে হয়েছে।" তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মাসিক প্রতিবেদনের বদলে জুলাইয়ের শেষে প্রকাশিতব্য ত্রৈমাসিক মুদ্রাস্ফীতির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে চায়। এই প্রতিবেদন দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার জিম চালমার্স এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, "লক্ষ লক্ষ অস্ট্রেলিয়ান যে ফলাফলের জন্য আশা করছিলেন, এটি তা নয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তটি ‘বিলম্বিত হয়েছে, কিন্তু বাতিল হয়ে যায়নি’। অর্থনীতিবিদ ডেভিড বাসানিজ, যিনি হার অপরিবর্তিত থাকার সঠিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, বলেন, "অস্ট্রেলিয়ার ঋণগ্রহীতাদের স্বস্তি পাওয়ার জন্য আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।"এর আগে দুই দফা সুদের হার কমানোর ফলে সিডনি, ব্রিসবেনসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে বাড়ির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হয়তো বাজারের এই তেজি ভাবকেও পর্যবেক্ষণ করতে চাইছে। আরবিএ-এর পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ আগস্ট, যেখানে সুদের হার কমানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র// গার্ডিয়ান