মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২০, ২০২৬
৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

 পাইলটের জনবিরল এলাকায় বিমান সরানোর চেষ্টা, গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

আর এন এস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৫, ০২:০৭ পিএম

 পাইলটের জনবিরল এলাকায় বিমান সরানোর চেষ্টা, গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম জনবসতিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জনবিরল স্থানে বিমানটি নিয়ে যাওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আজকের (সোমবার) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, আজ বেলা ১টা ৬ মিনিটে ঢাকার কুর্মিটোলাস্থ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি এ কে খন্দকার থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের পরপরই বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়, যার বিস্তারিত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।

 

পাইলট তৌকির ইসলাম দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো সত্ত্বেও দুর্ভাগ্যবশত বিমানটি ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দোতলা একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিমানের বৈমানিকসহ ১৯ জন নিহত এবং ১৬৪ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ও অ্যাম্বুলেন্সের সাহায্যে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এবং নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত এবং হতাহতদের সর্বাত্মক চিকিৎসা ও সার্বিক সহযোগিতায় তৎপর রয়েছে।

 

বিমান বাহিনী প্রধান সরকারি সফরে দেশের বাইরে থাকলেও, সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (প্রশাসন) এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন। এছাড়াও, সেনাবাহিনী প্রধান, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সামরিক বাহিনী এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র‍্যাবসহ অন্যান্য সংস্থা উদ্ধার অভিযানে দ্রুত সাড়া দিয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনের জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

- Daily Sun