রবিবার (৩০ নভেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কৌতুকচ্ছলে নিজের প্রেমহীন অবস্থার কথা তুলে ধরেন, যা মুহূর্তের মধ্যেই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শ্রীলেখা লেখেন, “লোকজন কী সুন্দর বিয়ে করছে, আমি একটা প্রেম পর্যন্ত করে উঠতে পারছি না। সত্যি বুড়ো হয়ে গেলাম।”
এই পোস্টের সঙ্গে তিনি হ্যাশট্যাগ হিসেবে যুক্ত করেন “আমার ভালোবাসার ধর্ম”। তার এই অকপট স্বীকারোক্তি ভক্ত ও অনুসারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কমেন্ট বক্সে অনেকেই অভিনেত্রীর এই রসবোধের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ মজার ছলে তার প্রেমিক খুঁজে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন। নীল নাওয়াজ নামের এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, “বয়স কোনো বিষয় নয়! এবার হয়তো প্রস্তাবের বন্যা বয়ে যাবে।
তুমি শুধু ইনবক্স চেক করতে থাকো।” আরেক অনুসারী কৌশিক অবশ্য অভিনেত্রীর কঠিন শর্তগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, “প্রেম করতে চাওয়ার শর্তগুলো একবার বলো, তাহলে দেখবে সেখানেও খরা লেগে গেছে।” মূলত, শ্রীলেখা মিত্র এর আগে একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে হলে পাত্রকে অবশ্যই পশুপ্রেমী হতে হবে।
বিশেষ করে পথকুকুরদের প্রতি ভালোবাসা থাকা তার কাছে সম্পর্কের অন্যতম প্রধান শর্ত। তিনি তার পোষ্যদের নিজের সন্তানের মতোই দেখেন এবং তাদের নাম ধরে ডাকেন। উল্লেখ্য, স্বামী শিলাদিত্য স্যান্যালের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শ্রীলেখা মিত্র আর নতুন করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হননি। তিনি একাধিকবার গণমাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে, প্রেমে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও বিয়ের প্রতি তার আর কোনো আগ্রহ নেই।
তিনি মনে করেন, তার প্রাক্তন স্বামী, তিনি এবং তাদের কন্যা মিলে একটি সুন্দর পারিবারিক ইউনিট তৈরি হয়েছে, যা তিনি ভাঙতে চান না। তবে শীতের শুরুতে বিয়ের মৌসুমে নিজের একাকিত্ব নিয়ে তার এই স্ট্যাটাস প্রমাণ করে যে, পর্দার বাইরে তারকাদের জীবনেও মাঝেমধ্যে নিঃসঙ্গতার ছায়া নেমে আসে। ভক্তরা অবশ্য তার এই পোস্টটিকে নিছক বিনোদন হিসেবেই দেখছেন এবং প্রিয় অভিনেত্রীর জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।