রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনা মোতায়েনে ইতালিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, লুটপাট ও সহিংসতা রোধে সফল সরকার

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

সেনা মোতায়েনে ইতালিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, লুটপাট ও সহিংসতা রোধে সফল সরকার
ছবি : Collected

ইতালির রাজধানী রোম, প্রধান বাণিজ্যিক শহর মিলানসহ দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে সম্প্রতি বিক্ষোভের নামে যে নজিরবিহীন সহিংসতা ও ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল, তা কঠোর হস্তে দমন করতে এবার আগেভাগেই সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছিল দেশটির সরকার।

 

অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি দেশজুড়ে পাঁচ হাজারের বেশি সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়।

 

সরকারের এই কৌশলগত ও কঠোর পদক্ষেপের কারণে শনিবার ইতালির বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলেও শেষ পর্যন্ত তা শান্তিপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হয়েছে।

 

এ দিন দেশের কোথাও কোনো উল্লেখযোগ্য সহিংসতা, ভাঙচুর বা লুটপাটের সংবাদ পাওয়া যায়নি, যা সরকারের নিরাপত্তা কৌশলের একটি বড় সাফল্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মিলান, রোম এবং তুরিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর রাজপথে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী জড়ো হয়ে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে বিশাল মিছিল করেন।

 

গত সপ্তাহে ঠিক এই ধরনের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি কেন্দ্র করে শহরগুলোতে মারাত্মক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। বিক্ষোভকারীরা সে সময় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছিল।

 

সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি যেন কোনোভাবেই না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই ইতালির প্রশাসন এবার বিপুল সংখ্যক পুলিশ এবং সেনা সদস্যের সমন্বয়ে এক অভেদ্য নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছিল। তাদের এই সমন্বিত উদ্যোগ অনেকাংশেই সফলতার মুখ দেখেছে।

 

মিলানে অনুষ্ঠিত বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও, রোম এবং তুরিনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের কিছু বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের মতে, সেসব সংঘর্ষ খুব একটা বড় বা উদ্বেগের পর্যায়ে পৌঁছায়নি এবং পরিস্থিতি দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

 

বিক্ষোভের নামে সুযোগসন্ধানীদের লুটপাট ও সহিংসতা রোধে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বাধীন সরকার বেশ কিছু কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বিশেষ করে, মিলান শহরের নিরাপত্তা জোরদার করতে সেখানে অতিরিক্ত আরও ৫০০ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়।

 

এর পাশাপাশি, বিক্ষোভের আড়ালে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে যুক্ত থাকা অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আইনি শাস্তির বিধান আরও কঠোর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সপ্তাহে যে সহিংস বিক্ষোভ হয়েছিল, তার সামনের সারিতে থাকা বিক্ষোভকারীদের একটি বড় অংশই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর।

 

এই তথ্যের ভিত্তিতে মিলানে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পুলিশ বেশ কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা ইস্যুতে ফ্রান্সে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ বর্তমানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগের কেন্দ্রে অবস্থান করলেও, ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এই অসন্তোষের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।

 

শনিবার কেবল ইতালির মিলান বা রোম নয়, বরং ইউরোপের অন্যান্য প্রধান শহর যেমন স্পেনের মাদ্রিদ, পর্তুগালের লিসবন এবং আলবেনিয়ার তিরানাতেও বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রাজপথে নেমে আসা এই সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভের প্রধান ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, সর্বস্তরে দুর্নীতি রোধ, যুদ্ধবিরোধী অবস্থান, পেনশন কাঠামোর যুগোপযোগী পরিবর্তন এবং নাগরিকদের জন্য সুলভ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

 

ইতালির প্রধান আর্থিক কেন্দ্র মিলানে শনিবার সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই মূলত তরুণ-তরুণীদের একটি বিশাল জনসমাবেশ গড়ে ওঠে। শহরের কেন্দ্রস্থলে জড়ো হওয়া এই বিক্ষুব্ধ জনতা প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকারের বিভিন্ন নীতির তীব্র সমালোচনা করে নানা স্লোগান দিতে থাকে।

 

এ সময় অনেক বিক্ষোভকারীর হাতে ‘রাষ্ট্রের মিথ্যাচার মানি না’ লেখা সম্বলিত বড় বড় ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সম্প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, একদল ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারী ইতালির জাতীয় জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের সামনে এসে তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে সেখানে গোবর নিক্ষেপ করে।

 

একই সঙ্গে, সরকারের বিভিন্ন সাফল্য ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরা একটি বিশাল আকৃতির প্রতীকী বৈদ্যুতিক বিলবোর্ড জনসমক্ষে পুড়িয়ে ফেলা হয়। ইতালীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মিলানের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেওয়া পিয়েরফ্রান্সেস্কো মাজোরিনো শনিবারের মিছিলে সশরীরে যোগ দিয়েছিলেন।

 

তিনি ২০২৭ সালের শুরুর দিকে মধ্য-বামপন্থী জোটের প্রাইমারি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, মিলানের বর্তমান মধ্য-বামপন্থী মেয়র জিউসেপ্পে সালা, যিনি ২০১৬ সাল থেকে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আর অংশ নিচ্ছেন না বলে আগেই নিশ্চিত করেছেন।

 

রাজনৈতিক নেতাদের এই ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ চলমান এই বিক্ষোভকে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। মিলান যেহেতু ইতালির সবচেয়ে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক শহর এবং ফ্যাশন রাজধানী, তাই সেখানে আগে থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সেনা মোতায়েন করা ছিল।

 

শনিবার সেই বিদ্যমান নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ৫০০ সেনা সদস্য যুক্ত করা হয়। এই সেনারা মিলান শহরে আগে থেকে মোতায়েন থাকা প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।

 

নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে কর্তৃপক্ষ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তাও নিয়েছে। ড্রোন উড়িয়ে আকাশপথে সার্বক্ষণিক নজরদারি, শহরের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে আগত যাত্রীদের তল্লাশি, দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম র‍্যাপিড রেসপন্স ইউনিট মোতায়েন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক পোস্ট শনাক্ত করতে অনলাইনে কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে।

 

নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে মিলানের বিখ্যাত ফ্যাশন ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত ওমেগা, টিফানি এবং গুচির মতো বিশ্বখ্যাত ও বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের দোকানগুলোর সামনের কাঁচের জানালাগুলো পুরু কাঠের তক্তা দিয়ে সম্পূর্ণ ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। জনপ্রিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের স্টোরটিও সতর্কতাবশত বন্ধ রাখা হয়েছিল।

 

শনিবার বিকেলের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে বেশিরভাগ দোকানপাট পুনরায় খুলে দেওয়া হলেও অ্যাপল স্টোরটি সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধই রাখা হয়েছিল। গত সপ্তাহান্তে এই শহরের কেন্দ্রীয় দুওমো স্কয়ারের পার্শ্ববর্তী বাণিজ্যিক সড়কগুলোতে অবস্থিত বিভিন্ন দোকানে ঢুকে দাঙ্গাকারীরা স্নিকার্স, দামি খেলাধুলার পোশাক এবং নানাবিধ ক্রীড়া সামগ্রী ব্যাপক হারে লুটপাট করেছিল।

 

সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণেই এবার দোকান মালিকরা আগে থেকেই এই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন। বিক্ষোভকারীরা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে অন্যান্য আবাসিক বা বাণিজ্যিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে-এমন জোরালো আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা বলয় কেবল শহরের কেন্দ্রস্থলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং তা শহরের অন্যান্য অংশেও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করা হয়েছিল।

 

শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় প্রতিবাদকারী তরুণ-তরুণীরা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে তিন কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত মিলান পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এসে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের এই প্রতিবাদী মিছিলে সমাপ্তি টানেন।

 

মিলান পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সপ্তাহের ভয়াবহ সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনায় প্রায় দুই হাজার তরুণ প্রতিবাদকারী প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। তদন্তে উঠে এসেছে যে, এদের মধ্যে অনেকেই ইতালিতে বসবাসরত বিদেশি নাগরিক, আবার অনেকেই ইতালির নাগরিকত্ব পাওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসী পরিবারের সন্তান।

 

গত দুই দিনে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে ৩৪ জনই বয়সে অপ্রাপ্তবয়স্ক। শনিবারের বিক্ষোভে একটি ভিন্নধর্মী ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যখন ‘ইন্টার মিলান’ ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত কিছু উগ্র ডানপন্থী সমর্থক-যাদের অনেকের বিরুদ্ধেই আগে থেকে গুণ্ডামির অভিযোগ রয়েছে-তারা সেখানে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য উপস্থিত হয়ে অভিবাসী এবং মুসলিমবিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দিতে শুরু করে।

 

তবে পুলিশ অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তাদের সাধারণ বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে, যার ফলে সেখানে নতুন করে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সুযোগ পায়নি।

 

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবার জননিরাপত্তার স্বার্থে যে সেনা সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল, তাদের অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তাদের কেবল হাত বাঁধার প্লাস্টিক ব্যান্ড বা ‘প্লাস্টিক রেস্ট্রেইন্ট টাই’ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

তবে এই নিয়মটিও কেবল রেল স্টেশনগুলোর আশপাশের সংবেদনশীল এলাকাগুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিল, পুরো শহরের জন্য নয়। তিনি স্পষ্টভাবে আরও জানিয়েছেন, মোতায়েনকৃত এই সেনাদের কাছে পিপার স্প্রে বা বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার যন্ত্র রাখার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি, যাতে বিক্ষোভকারীদের ওপর কোনো ধরনের অতিরিক্ত বা অমানবিক বলপ্রয়োগের ঘটনা না ঘটে।

 

মিলানের পাশাপাশি ইতালির রাজধানী রোমেও নেওয়া হয়েছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিলাসবহুল কেনাকাটার প্রধান রাস্তাগুলো জনসাধারণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল।

 

এছাড়াও, পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক স্থান সার্কাস ম্যাক্সিমাস ও পিয়াজ্জা দেল পোপোলো এর আশেপাশে নিরাপত্তা টহল ও নজরদারি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছিল, যাতে সেখানে কোনোভাবেই বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। সরকারের এই আগাম প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণেই মূলত এবারের বিক্ষোভগুলো শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।

 

- এপি, এনডিটিভি