রবিবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক খেলে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ইসমাইলের ফিল্ড গোলে এগিয়ে যায় লাল-সবুজের দল। এরপর বিশাল আহমেদের হিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে উভয় দলই রক্ষণাত্মক খেললে কোনো গোল হয়নি, কিন্তু প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের ২-০ গোলে এগিয়ে থাকা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।
তৃতীয় কোয়ার্টারে স্বাগতিক চীন একটি গোল পরিশোধ করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে, কিন্তু বাংলাদেশের যুবারা দমে যায়নি। জনি ইসলাম, ইসমাইল (তার দ্বিতীয় গোল) এবং অমিত হাসানের চমৎকার গোলে বাংলাদেশ জয়ের পথে আরও দৃঢ় হয়। চতুর্থ কোয়ার্টারে চীন আরও একটি গোল শোধ করে খেলায় ফেরার শেষ চেষ্টা করে। তবে ম্যাচের বাকি সময় বাংলাদেশ সতর্কতার সাথে খেলে এবং মূল্যবান জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এটি শুধু একটি জয় ছিল না, বরং চীনাদের ঘরের মাঠে তাদের ওপর একটি স্পষ্ট আধিপত্যের বার্তা ছিল।
এর আগে, টুর্নামেন্টের পুল পর্বে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করে। এরপর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৩-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল। চীনের বিপক্ষে এই বড় জয়টি তাদের সেমিফাইনালে উঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে দিল।
বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে জিততে পারলে জুনিয়র টাইগারদের জন্য সেমিফাইনালে উঠার রাস্তা আরও খানিকটা সহজ হয়ে যাবে। এই তরুণ হকি খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেশের হকি প্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। তারা যদি এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারে, তবে এশিয়া কাপে এক নতুন ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।