এই হামলার পর পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে বিবদমান পক্ষগুলো। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর সমর্থনে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সরকারি বাহিনীর ওপর ফের হামলা শুরু করলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তারা এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে নিন্দা করেছে। তবে প্রভাবশালী দ্রুজ নেতা শেখ হিকমত আল-হাজরি এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, সরকারি বাহিনীই প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ‘বর্বরোচিত হামলা’ চালিয়েছে। এরপরেই তিনি স্থানীয় যোদ্ধাদের তা প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা সিরিয়ার দ্রুজ সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য এই হামলা চালিয়েছে, যাদেরকে তারা সম্ভাব্য মিত্র হিসেবে দেখে। ইসরায়েলের একজন মন্ত্রী সিরিয়ার বর্তমান সরকারকে ‘সন্ত্রাসী শাসন’ বলে অভিহিত করে বলেন, দ্রুজদের ওপর আক্রমণের সময় তারা ‘চুপচাপ বসে থাকতে পারে না’।
উল্লেখ্য, গত রবিবার থেকে সুয়েদা শহরে বেদুঈন ও দ্রুজদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। এই সংঘাতময় পরিস্থিতিতেই ইসরায়েলি হামলা অঞ্চলটিতে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা যোগ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা সকল পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছে। গত ডিসেম্বর থেকে ইসরায়েল নিয়মিতভাবেই সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়ে আসছে এবং এই হামলা এমন এক সময়ে ঘটলো যখন গাজাসহ একাধিক ফ্রন্টে ইসরায়েল সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে।
---