সিরিয়ার সরকার এবং দ্রুজ সংখ্যালঘু নেতারা বুধবার নতুন করে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে, যখন ইসরায়েল সিরিয়ার ভেতরে বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই যুদ্ধবিরতি এমন এক সময়ে এলো যখন সুইদা প্রদেশে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ও দ্রুজ সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছিল, যা দেশটির যুদ্ধ-পরবর্তী ভঙ্গুর স্থিতিশীলতা নষ্ট করার হুমকি দিচ্ছিল এবং ইসরায়েলের হস্তক্ষেপকে উসকে দিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বুধবার দামেস্কের প্রাণকেন্দ্রে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে দামেস্কের উপকণ্ঠে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছেও আরেকটি হামলা চালানো হয়। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা দ্রুজ সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় এবং ইসলামিক জঙ্গিদের তাদের সীমান্ত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে এই অভিযান চালাচ্ছে।
সংঘর্ষ তীব্র হওয়ার কারণে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত গোলান মালভূমি এবং উত্তর ইসরায়েলের দ্রুজ সম্প্রদায়ের শত শত সদস্য সিরিয়া সীমান্তে জড়ো হয়েছেন, সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ায় তারা স্বজনদের ভাগ্য নিয়ে শঙ্কিত। সুইদা প্রদেশের ঘটনায় ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রাণহানি এবং আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সিরিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে এই যুদ্ধবিরতিকে "সুইদা প্রদেশের পূর্ণ সংহতি" এবং "সকল সামরিক অভিযান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ" করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে এর আগে ঘোষিত একটি যুদ্ধবিরতি দ্রুত ভেঙে যাওয়ায় এই নতুন চুক্তি কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইসরায়েল বারবার জোর দিয়ে বলছে যে, তারা তাদের সীমান্তের নিরাপত্তা এবং দ্রুজ সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অঞ্চলের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।