ফ্লোটিলার কর্মীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বলেছে, ত্রাণসামগ্রী শুধুমাত্র তাদের (ইসরায়েলিদের) মাধ্যমে অফিসিয়াল চ্যানেলে হস্তান্তর করতে হবে।কিন্তু ফ্লোটিলার আয়োজকরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের পাল্টা যুক্তি হলো, গাজায় ‘গণহত্যা’ চলছে এবং ইসরায়েল ‘দুর্ভিক্ষ ও অনাহারকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে’ ব্যবহার করছে। তাই এই অমানবিক অবরোধ ভেঙে সরাসরি গাজার মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া তাদের নৈতিক দায়িত্ব।
ফ্লোটিলার কর্মীরা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় এ ধরনের বাধা দেওয়া অবৈধ, কারণ তারা ফিলিস্তিনের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করছে, ইসরায়েলের নয়। এই নৌবহরে থাকা একটি জাহাজের নামকরণ করা হয়েছে নিহত আল জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহের নামে, যা এই মানবিক উদ্যোগের প্রতীকী গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েলি নৌবাহিনীর অবরোধ এবং ফ্লোটিলার কর্মীদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।