প্রত্যক্ষদর্শীরা এই হামলাকে এক নারকীয় অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেছেন। রিজিক বেত্তার নামে এক ব্যক্তি জানান, অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় তিনি আহত এক বৃদ্ধকে সাইকেলে করে সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেন, "এখানে কোনো খাবার নেই, জীবন নেই, বাঁচার কোনো উপায় নেই। আমরা কোনোমতে টিকে আছি। জাতিসংঘ এই দুর্ভিক্ষকে "মানবসৃষ্ট" বলে আখ্যায়িত করেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) জানিয়েছে, তাদের ২৫টি ট্রাকের একটি ত্রাণ কনভয় গাজায় প্রবেশের পরপরই গুলির শিকার হয়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা "তাৎক্ষণিক হুমকি" মোকাবেলায় "সতর্কতামূলক গুলি" চালিয়েছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ত্রাণ কনভয়কে লক্ষ্যবস্তু করার কথা অস্বীকার করেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অপুষ্টি এবং পানি শূন্যতার কারণে শত শত ফিলিস্তিনি, বিশেষ করে শিশুরা, আসন্ন মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭১টি শিশু অপুষ্টিতে মারা গেছে এবং আরও ৬০ হাজার শিশুর মধ্যে মারাত্মক অপুষ্টির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। মার্কিন-ইসলামিক সম্পর্ক পরিষদ (CAIR) এই হত্যাকাণ্ডকে "গণহত্যা" বলে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং পশ্চিমা বিশ্বের নীরবতাকে দায়ী করেছে।
---