প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২১ বছর বয়সী জশুয়া মোল্লেল দক্ষিণ ইসরায়েলের কিবুতজ নাহল ওজ-এ একজন কৃষি শিক্ষানবিশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের নজিরবিহীন ও আকস্মিক হামলার সময় নিহত হন। পরবর্তীকালে তার মরদেহ গাজা উপত্যকায় অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়, যা গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান মানবিক সংকটের একটি অংশে পরিণত হয়েছিল।
এই ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলা হয়েছে, "ইসরায়েলি সরকার মোল্লেল পরিবারের এবং নিহত জিম্মিদের সকল পরিবারের গভীর দুঃখে সম অংশীদার।" বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় আটকে থাকা বাকি ছয়জন নিহত জিম্মির মরদেহ ফিরিয়ে এনে যথাযথভাবে সমাধিস্থ করতে "দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"
এই বিবৃতিতে মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হামাসের দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করা হয়। ইসরায়েল জোর দিয়ে বলেছে যে, "চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে" হামাসকে অবশ্যই মধ্যস্থতাকারীদের কাছে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে এবং অবশিষ্ট মরদেহগুলো ফেরত দিতে হবে। জশুয়া মোল্লের মরদেহ ফেরত আসার পরও, গাজায় এখনও ছয়জন নিহত জিম্মির মরদেহ আটকে আছে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ইসরায়েলি নাগরিক এবং একজন বিদেশি নাগরিক।
এই ব্যক্তিরা হলেন: মেনি গোডার্ড, লে. হাদর গোল্ডিন, মাস্টার সার্জেন্ট রান গুইলি, ড্রোর ওর, লিয়র রুডায়েফ এবং থাই নাগরিক সুদথিসাক রিনথালাক। এই জিম্মিদের মরদেহ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি চলমান যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি আলোচনার একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং জটিল অংশ হয়ে রয়েছে।