বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসে মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ-উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং তাজিকিস্তানের-প্রেসিডেন্টদের সাথে এক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, "(বাহিনী মোতায়েন) খুব শীঘ্রই হতে চলেছে। এবং গাজায় (পরিস্থিতি) খুব ভালোভাবেই এগোচ্ছে।"
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে "গাজায় শান্তি" প্রক্রিয়া সন্তোষজনকভাবে চলছে এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই লক্ষ্য অর্জনে আঞ্চলিক দেশসমূহ এবং মিত্রদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ওই শীর্ষ বৈঠকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, ইসরায়েল এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তি 'আব্রাহাম অ্যাকর্ডস'-এ কাজাখস্তান যোগ দিতে চলেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মধ্য এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোও এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে এবং এতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
আগামী সোমবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ শারার হোয়াইট হাউস সফরের কথা রয়েছে। এই সফরে আব্রাহাম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান ট্রাম্প। তবে তিনি সিরিয়ার নেতার প্রশংসা করে বলেন, "আমি মনে করি তিনি খুব ভালো কাজ করছেন। এটি একটি কঠিন প্রতিবেশীবেষ্টিত অঞ্চল, এবং তিনি একজন কঠিন মানুষ, কিন্তু তার সাথে আমার বোঝাপড়া খুব ভালো হয়েছে। সিরিয়ার সাথে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।"
সিরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে "একটি কঠিন বিষয়" বলে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, "কিন্তু অনেক অগ্রগতি হয়েছে। আপনারা জানেন, আমরা তুরস্কের অনুরোধে, প্রকৃতপক্ষে ইসরায়েলের অনুরোধে এবং আরও কয়েকটি দেশের অনুরোধে নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিয়েছিলাম, যেন তাদের একটি সুযোগ দেওয়া যায়।" উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ শারা এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পক্ষে ভোট গৃহীত হয়েছে।