তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে উদ্ধারকাজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে এই ভারী যন্ত্রপাতিগুলো এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। শনিবার সকালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত হামলার মুখে তা স্থগিত করতে বাধ্য হয় সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।
উদ্ধারকারী দলের ওপর সরাসরি আক্রমণের এই ঘটনায় কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। মাহমুদ বাসাল জানান, হামলার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে, তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে তারা পুনরায় কাজে ফিরতে বদ্ধপরিকর।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬৯,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর বাইরে আরও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিভিল ডিফেন্সের মতে, ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে এই বিপুল সংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না, যা মানবিক বিপর্যয়কে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। স্বজনরা ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষায় থাকলেও উপযুক্ত সরঞ্জামের অভাবে প্রিয়জনের মরদেহটুকুও তারা দাফন করতে পারছেন না।
আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে এই জরুরি সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আহ্বান জানিয়ে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স বলছে, এটি কেবল একটি যান্ত্রিক সহায়তা নয়, বরং হাজারও শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য সান্ত্বনার শেষ অবলম্বন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহগুলো বের করে আনা এবং তাদের যথাযথ সম্মানের সাথে দাফন করার জন্য এই এক্সকাভেটরগুলো অবিলম্বে গাজায় পৌঁছানো প্রয়োজন।