নির্বাচনী প্রচারের এই পর্যায়ে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "আমি এই নির্বাচন খুব কাছ থেকে দেখেছি এবং একটি কথা বলতে পারি যে, এনডিএ এই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হচ্ছে। এনডিএ-র জয় নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।" তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, "বিহারের মানুষ মনস্থির করে ফেলেছে যে এবার তারা এনডিএ-কে বিজয়ী করতে চলেছে এবং গত ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙতে চলেছে।"
বিরোধী জোটকে তীব্র আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের জনগণ 'জঙ্গল রাজ'-এর প্রবক্তাদের এবার সবচেয়ে বড় পরাজয় দেখাতে চলেছে। তিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) এবং কংগ্রেসের কড়া সমালোচনা করে বলেন, বিহারের উন্নয়ন কেবল এনডিএ-র নেতৃত্বেই সম্ভব।
এনডিএ সরকার কীভাবে রাজ্যের নারীদের জীবনযাত্রা সহজ করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেছে, তার ওপর বিশেষভাবে আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, "এনডিএ সরকার নারীদের জীবন সহজ করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নে কাজ করেছে। বিদ্যুতের খরচ কমেছে। আমরা বিহারের বেশ কয়েকটি শহরে মেট্রো চালুর পরিকল্পনা করছি।"
সুশাসনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, যখন সুশাসন থাকে, তখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকে এবং নারীরা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান। তিনি উল্লেখ করেন যে, "বিহারের নারীরাও উদ্যোক্তা হয়ে অন্যদের কর্মসংস্থান করছেন। মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে। 'জীবিকা দিদি' এবং দুগ্ধ সমবায় প্রকল্পগুলি নারীদের আত্মনির্ভরশীল হতে শক্তি জুগিয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, বিহারের এই অগ্রগতি সমাজের সকল স্তরের মানুষের, বিশেষত দরিদ্র, মহাদলিত এবং অনগ্রসর ও অতি-অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বার্তায় তিনি দলের 'পান্না প্রমুখ'দের (দলীয় পৃষ্ঠার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী) প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন নিজ নিজ তালিকার প্রত্যেক নারী ভোটারের ভোট দেওয়া নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ আগামী ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৫টায় প্রথম দফার নির্বাচনের প্রচারকার্য শেষ হয়েছে।