শনিবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২৬
১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেইজিংয়ে চীন-ক্রোয়েশিয়া বৈঠক: ‘এক-চীন নীতি’র প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

RNS News

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৫, ০১:০৭ এএম

বেইজিংয়ে চীন-ক্রোয়েশিয়া বৈঠক: ‘এক-চীন নীতি’র প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার
ফাইল ছবি

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে সোমবার (২১ জুলাই, ২০২৫) এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ক্রোয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গর্ডান গ্রিলিচ র‍্যাডম্যান। বৈঠকে উভয় দেশ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অবকাঠামোগত সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, যিনি দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য, বলেন যে চীন ও ক্রোয়েশিয়ার সম্পর্ক সর্বদা পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীনের  'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (বিআরআই) এর আওতায় দুই দেশের যৌথ সহযোগিতা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এই বছর চীন ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ব্যাপকভিত্তিক সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের ২০তম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে, যা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

ক্রোয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গর্ডান গ্রিলিচ র‍্যাডম্যান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুস্থ বিকাশে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বৈঠকে তিনি 'এক-চীন নীতি'র প্রতি তার দেশের অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ক্রোয়েশিয়া গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকারকেই সমগ্র চীনের একমাত্র বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করে। র‍্যাডম্যান বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কানেক্টিভিটির মতো খাতে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং আরও বেশি চীনা পর্যটকদের ক্রোয়েশিয়া সফরের জন্য স্বাগত জানান।

 

বৈঠকে বৃহত্তর পরিসরে চীন-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। ওয়াং ই আশা প্রকাশ করেন যে, ইইউ-এর সদস্য হিসেবে ক্রোয়েশিয়া চীন-ইউরোপ সম্পর্কে একটি গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। র‍্যাডম্যানও জানান যে, ক্রোয়েশিয়া ইইউ এবং চীনের মধ্যে যেকোনো মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে বিশ্বাসী এবং এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী। উভয় মন্ত্রীই বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করার এবং বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন, যা দুই দেশের মধ্যে গভীরতর কৌশলগত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দেয়।

 

---

সিজিটিএন