এই ঘোষণার আওতায় আগামী ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের মতো দেশগুলোর ওপর নতুন বাণিজ্য ব্যবস্থা কার্যকর হবে। ট্রাম্পের "চিঠির ঢেউ" পাওয়া দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, সার্বিয়া, তিউনিসিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলোও। এর মধ্যে মিয়ানমার ও লাওসের ওপর সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা এমন এক সময়ে জোরালো হলো যখন উভয় দেশের আলোচকরা একটি সমাধান খুঁজে বের করতে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়েছেন। পূর্বে ধারণা করা হচ্ছিল, ৯ জুলাইয়ের মধ্যেই উভয় দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। তবে নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণার সাথে সাথে ট্রাম্প এখন এই সময়সীমা বাড়িয়ে ১ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারণের জন্য একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করতে চলেছেন।
এ প্রসঙ্গে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন যে, ভারত জাতীয় স্বার্থে আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি করতে প্রস্তুত, তবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার চাপে নয়।
আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ভারতের কৃষি খাতের সুরক্ষা। ভারত সরকার তার দেশের লক্ষ লক্ষ কৃষকের স্বার্থে দুগ্ধজাত পণ্য এবং জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) ফসলের জন্য মার্কিন বাজার পুরোপুরি উন্মুক্ত করতে নারাজ। তাদের মতে, আমেরিকার বাণিজ্যিক খামারের সাথে ভারতীয় কৃষকরা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবেন না। ভারত শুরু থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত সব ধরনের প্রতিশোধমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে। এখন দেখার বিষয়, উভয় দেশ কীভাবে এই জটিল পরিস্থিতি থেকে একটি ফলপ্রসূ সমাধানে পৌঁছায়।
সুত্র// হিন্দুস্থান টাইমস