সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে অধ্যাপক হালুক গোরগুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সেনা সদরে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। বৈঠকে তুরস্কের প্রতিনিধিদলের প্রধান বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেন। এর জবাবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বন্ধুপ্রতিম দেশ তুরস্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশে বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়নে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। এই উদ্যোগ দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, তুরস্কের এই উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।অধ্যাপক হালুক গোরগুনের এই ২৪ ঘণ্টার সফরকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক深তর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তুরস্কের উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে উভয় দেশই লাভবান হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্কের এই প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং সামরিক সরঞ্জাম আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমবে।
সূত্র// ঢাকা পোস্ট