বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই, ২০২৫) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। বৈঠকে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, "সম্প্রচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উভয়ই ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। কেবল টিভি ডিজিটালাইজেশন, টিআরপি সেবা এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম—এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুটি মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে, যা 'অ্যালোকেশন অব বিজনেস' দ্বারা নির্ধারিত।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি আধুনিক ও জনবান্ধব সম্প্রচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
সভায় উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব একটি সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তি মূল্যায়ন পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "কোন প্রযুক্তি আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এবং কীভাবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (যেমন: টিভি চ্যানেল মালিক, কেবল অপারেটর) অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে উভয় মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া, কনটেন্ট পর্যবেক্ষণ (মনিটরিং) এবং রাজস্ব আয় (মনিটাইজেশন) সংক্রান্ত একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।
এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) প্রতিনিধি এবং কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) প্রতিনিধিরা। এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের দর্শকরা আরও উন্নত এবং স্বচ্ছ সম্প্রচার সেবা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
---