প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, গত মে মাসে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মালয়েশিয়া সফরের পর এই সাফল্য আসে। উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকের পর থেকেই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয়টি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অবশেষে গত ১০ জুলাই মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ এই সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে।
ড. আসিফ নজরুল জানান, নতুন এই সুবিধার ফলে কর্মীদের হয়রানি বহুলাংশে কমবে। তিনি বলেন, "মালয়েশিয়া ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নিলেও শুধু বাংলাদেশিদেরই সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হতো, যা ছিল অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এই মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা চালু হওয়ায় কর্মীরা এখন স্বস্তি পাবেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যে সকল বাংলাদেশি কর্মীর ইতিমধ্যে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা ও অস্থায়ী এমপ্লয়মেন্ট ভিজিট পাস (PLKS) রয়েছে, তাদের নতুন করে আবেদনের প্রয়োজন নেই। পিএলকেএস নবায়নের সময় তাদের ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাল্টিপল এন্ট্রিতে রূপান্তরিত হবে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখন থেকে বৈধ পিএলকেএসধারী কর্মীরা নতুন মাল্টিপল ভিসা ছাড়াই মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এই নির্দেশনা মালয়েশিয়ার সকল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে কর্মীদের ভ্রমণ এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে।
---