স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নতুন এই টার্মিনালের কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা অনেক বেশি, যা বিমানবন্দরের সেবার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করবে। পরিদর্শনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, "তৃতীয় টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিরূপণ এবং ইমিগ্রেশনসহ যাত্রীরা কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন, তা খতিয়ে দেখতেই আজকের এই পরিদর্শন।" যদিও টার্মিনালটির উদ্বোধনের নির্দিষ্ট তারিখ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাম্প্রতিক গোপালগঞ্জের ঘটনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, "গোপালগঞ্জের ঘটনায় একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে এর পেছনে দায় কার ছিল এবং পুরো বিষয়টি জনসম্মুখে তুলে ধরবে।"
ঘটনায় নিহতদের ময়নাতদন্ত প্রসঙ্গে তিনি জানান, কিছু মরদেহ স্বজনরা নিয়ে যাওয়ায় সেগুলোর ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তের প্রয়োজনে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করার কথাও জানান তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচার করায় তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান, যার মাধ্যমে দেশের মানুষ সঠিক তথ্য পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা টার্মিনাল ১ ও ২-এ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
---