সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে ইসি সচিব এই তথ্য প্রকাশ করেন। নির্বাচনটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়গুলো এই বৈঠকে প্রাধান্য পায়।
জ্যেষ্ঠ ইসি সচিব আকতার আহমেদ জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য প্রায় ৯০ হাজার থেকে এক লাখ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যকে মোতায়েন করা হবে। এর পাশাপাশি, দেড় লাখ (১,৫০,০০০) পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত করা হবে। এছাড়া, ভোটের দিন দেশজুড়ে প্রায় ৫,৫০,০০০ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এই বিপুল সংখ্যক বাহিনীর মোতায়েন নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় পদক্ষেপকেই নির্দেশ করে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইসি সচিব আরও জানান যে, সম্প্রতি লুণ্ঠিত হওয়া অস্ত্রের প্রায় ৮৫ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, এবং অবশিষ্ট অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল না। ইসি সচিবের এই মন্তব্য দেশে আসন্ন নির্বাচন এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়।