এনসিপি সূত্রে জানা যায়, দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দীন মোহাম্মদ জানান, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে যেসব আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী থাকবে (সম্ভাব্য ৩০টি আসন), সেখানে প্রার্থীর নেতৃত্বে প্রচারণা চলবে। আর যেসব আসনে দলের প্রার্থী থাকবে না, এমন ২৭০টি আসনে এই ‘অ্যাম্বাসেডর’রা দায়িত্ব পালন করবেন।
এই প্রতিনিধিদের মূল কাজ হবে গণভোটে কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রয়োজন এবং এটি জয়ী হওয়া কেন জরুরি, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা ও জনমত গঠন করা। নির্বাচনী কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষে এনসিপি তাদের ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে। ৩১ সদস্যের এই শক্তিশালী কমিটিতে আসিফ মাহমুদকে চেয়ারম্যান এবং মনিরা শারমিনকে সেক্রেটারি করা হয়েছে।
কমিটিতে ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি, তানজিল মাহমুদসহ দলের জ্যেষ্ঠ ও উদীয়মান নেতারা অন্তর্ভুক্ত আছেন। উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিচ্ছে এনসিপি।
বর্তমানে ৩০টি আসনে সমঝোতার আলোচনা চললেও এনসিপি ৪৪টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। আসন বণ্টন চূড়ান্ত হলে দলের প্রার্থীরা জোটের স্বার্থে সরে দাঁড়াবেন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় সর্বশক্তি নিয়োগ করবেন বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।