ম্যাচটি ছিল নাটকতায় পরিপূর্ণ। খেলা শেষ হওয়ার মাত্র ২০ মিনিট আগেও জিম্বাবুয়ে ৩০-১৬ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে জয়ের সুবাতাস পাচ্ছিল। কিন্তু এরপরই দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফেরে নামিবিয়া। পরপর দুটি 'ট্রাই' (রাগবির গোল) করে তারা ব্যবধান কমিয়ে আনে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে খেলা যখন ২৮-৩০ পয়েন্টে, তখন জয়ের জন্য একটি শেষ সুযোগ পায় নামিবিয়া। কিন্তু প্রায় মাঝমাঠ থেকে নেওয়া তাদের পেনাল্টি কিকটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে উল্লাসে ফেটে পড়ে জিম্বাবুয়ে শিবির।
এই জয় জিম্বাবুয়ের জন্য এক বিরাট অঘটন। কারণ, নামিবিয়া রাগবির জগতে এক প্রতিষ্ঠিত শক্তি এবং গত সাতটি বিশ্বকাপে তারা টানা অংশগ্রহণ করেছে। এর আগে দুই দলের ৩৫ বারের জিম্বাবুয়ে জিতেছিল মাত্র তিনবার। এই জয়ে জিম্বাবুয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলেও, ফাইনালে হেরে নামিবিয়ার আশা এখনই শেষ হয়ে যায়নি। আফ্রিকা কাপের রানার্স-আপ হিসেবে তাদের সামনে আরও একটি সুযোগ রয়েছে। আগামী শনিবার উগান্ডায় তারা এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপের রানার্স-আপ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচের বিজয়ী দল বিশ্বকাপের চূড়ান্ত বাছাইপর্বে খেলার সুযোগ পাবে।
---