উদ্বোধন-পরবর্তী আলোচনায় উপাচার্য বলেন, শিক্ষার ভিত্তি প্রাথমিক স্তর থেকেই মজবুত হওয়া জরুরি।তাই বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষার জন্য দূরে থাকতে হতো।
এই স্কুল সে সমস্যার সমাধান করবে এবং একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি অভিভাবকদেরও বাড়িতে শিক্ষাদানে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি আরও জানান, স্কুল এন্ড কলেজটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যও উন্মুক্ত থাকবে এবং সবাই সমান সুযোগ পাবে।
ব্যয় নির্ধারণে অভিভাবকদের সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে এবং প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণ নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে। বর্তমানে ৫ জন শিক্ষক অবৈতনিকভাবে পাঠদান করছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, তাদের বেতন নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে আবেদন করা হয়েছে এবং শিগগিরই সরকারিকরণ সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা,ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসনাত জাহান খান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। এতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদসহ বিভিন্ন বিভাগীয় ও দপ্তর প্রধান, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম দোয়া পরিচালনার মাধ্যমে এই আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি ঘটে।