মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎ববিতে একসাথে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন ২৩ শিক্ষক।

‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৭ পিএম

‎ববিতে একসাথে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন ২৩ শিক্ষক।
ছবি : নিজস্ব প্রতিনিধি

‎নানা জটিলতা পেরিয়ে অবশেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশি ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। ‎রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ২৩ শিক্ষক উপাচার্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাপক পদে যোগদান করেছেন।

 

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোট ২৪ জনের অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ড সম্পন্ন হলেও সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে ২৩ জনকে এই পদে উন্নীত করা হয়েছে। ‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ড বসা শুরু হয়ে।

 

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বাঁধায় অধ্যাপক পদোন্নতি আটকে যায়। অবশেষে ২৪ জনের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২৩ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ২৯ আগস্ট ৯৫ তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। ঐ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

 

‎নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে তিনজন সিন্ডিকেট মেম্বার জানিয়েছে, ফ্যাসিস্টের দোসর ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের  আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় ড. আবদুল কাইউমকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি তার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

‎অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক নিশ্চিত করেছেন যোগদানের সময় ২৩ শিক্ষক ছিলেন সেখানে ড. আবদুল কাউমকে দেখা যায়নি। ‎২৪ শিক্ষকের মধ্যে আরও কমপক্ষে সাত থেকে আটজন ফ্যাসিস্টের দোসর রয়েছেন।

 

কিন্তু ফ্যাসিস্টের দোসর আমলে নিয়ে একজনকে বাদ দিয়ে বাকিদের পদোন্নতি দেয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্য এটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। চব্বিশ পরবর্তী শিক্ষার্থীদের দাবি ছিলো ফ্যাসিস্টের দোসরদের আগে বিচার করতে হবে তারপর পদোন্নতি দিতে হবে কিন্তু বিচার করতে পারেনি ।

 

প্রশাসন ‎অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক হলেন, ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম,  ড. মোঃ নাজমুল কায়েস,  ড. মোঃ মাসুদ পারভেজ,  ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল,  ড. ধীমান কুমার রায়, ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ড. সুব্রত কুমার দাস, ড. হাফিজ আশরাফুল হক, ড.  ইশরাত জাহান, ড. মোঃ শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা,  ড. হেনা রানী বিশ্বাস, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুদ,  ড. মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ড. তাজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী, ড. মোঃ আলমগীর মোল্লা, ড. মোঃ সাদেকুর রহমান, ড. তারেক মাহমুদ আবীর, ড. মোঃ জামাল উদ্দীন  ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক।

 

‎এবিষয়ে জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছিরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। ‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সাথে যোগাযোগের জন্য বলেন।