আধুনিক ও যান্ত্রিক জীবনযাত্রা, প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি অতিনির্ভরশীলতা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, কায়িক শ্রমের চরম অভাব এবং দৈনন্দিন জীবনে ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের কারণে প্রতিনিয়ত ডায়াবেটিস ও প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সম্পূর্ণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মানবদেহে রক্তে শর্করার মাত্রা সারাদিন কখনোই এক অবস্থায় স্থির থাকে না, এটি একটি অত্যন্ত গতিশীল প্রক্রিয়া। মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস, গ্রহণ করা শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের ধরন, শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের পরিমাণ, রাতের ঘুমের গভীরতা এবং মানসিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে এই মাত্রার ক্রমাগত উত্থান-পতন ঘটে থাকে।
এই পরিবর্তনশীলতার কারণেই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা সঠিকভাবে এবং নিয়মিত নিয়ন্ত্রণে রাখা চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বড় ও জটিল চ্যালেঞ্জ। ডায়াবেটিস দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রাথমিক ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করা এবং সেই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নিজেদের জীবনাচরণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা।
চিকিৎসকেরা সাধারণত রোগীদের শারীরিক অবস্থা, বয়স এবং রোগের তীব্রতা অনুযায়ী দিনের বিভিন্ন সময়ে রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যাতে রোগের সঠিক মাত্রা নিরূপণ করে সময়োপযোগী ও কার্যকর চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হয়।
বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সচেতনতা বহুগুণে বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে শহরের পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়েও অনেক পরিবারেই গ্লুকোমিটার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও নৈমিত্তিক চিকিৎসা সরঞ্জামে পরিণত হয়েছে। বারবার হাসপাতালে বা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকে না গিয়ে ঘরে বসেই অত্যন্ত অল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার এই আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনাকে সাধারণ মানুষের জন্য অনেকটাই সহজ করে তুলেছে।
তবে বাড়িতে পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে দিনের ঠিক কোন সময়ে শর্করার মাত্রা ঠিক কত থাকা স্বাভাবিক এবং কখন তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে চিকিৎসা সহায়তার দাবি রাখে, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনও অনেক বিভ্রান্তি ও সুস্পষ্ট ধারণার অভাব রয়েছে।
এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং রোগীদের জন্য একটি সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করতে ভারতের কলকাতার প্রখ্যাত ও অভিজ্ঞ ডায়াবেটিস ও মেটাবলিজম রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আশিস মিত্র বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন।
তাঁর মতে, বাড়িতে শুধু যন্ত্র দিয়ে নিয়মমাফিক পরীক্ষা করলেই চলবে না, বরং প্রাপ্ত ফলাফলের সঠিক বিশ্লেষণ অনুধাবন করা এবং সেই অনুযায়ী একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি পদক্ষেপ।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিখুঁতভাবে নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে মূলত দুটি পরীক্ষা সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং গুরুত্বপূর্ণ বলে সর্বজনীনভাবে বিবেচিত হয়। এর একটি হলো ফাস্টিং ব্লাড সুগার বা খালি পেটে রক্তে শর্করার পরীক্ষা এবং অপরটি হলো পোস্ট-প্র্যান্ডিয়াল ব্লাড সুগার বা খাবার গ্রহণের একটি নির্দিষ্ট সময় পর শর্করার পরীক্ষা।
ফাস্টিং ব্লাড সুগার পরীক্ষা করার জন্য একজন ব্যক্তিকে অন্তত আট ঘণ্টা সম্পূর্ণ অভুক্ত থাকতে হয়। সাধারণত রাতের দীর্ঘ ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের পর সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই পরীক্ষাটি করা হয়ে থাকে। চিকিৎসকদের মতে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে মূলত মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শারীরবৃত্তীয় সক্ষমতা যাচাই করা হয়।
দীর্ঘ সময় কোনো ধরনের খাবার বা ক্যালরি গ্রহণ না করা অবস্থায় মানবদেহ, বিশেষ করে যকৃৎ বা লিভার, কীভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়, তার একটি স্পষ্ট চিত্র এই ফাস্টিং পরীক্ষার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞ ডা. মিত্রের দেওয়া গাইডলাইন ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, সকালে খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা যদি প্রতি ডেসিলিটারে ১১০ মিলিগ্রামের নিচে অবস্থান করে, তবে সেই ব্যক্তির শর্করার মাত্রা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে, এই মাত্রা যদি ১১০ থেকে ১২৫ মিলিগ্রামের মধ্যে অবস্থান করে, তবে সেই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় 'প্রি-ডায়াবেটিস' বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঠিক পূর্বাবস্থা বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রোগীর জন্য একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা।
আর খালি পেটে শর্করার মাত্রা যদি ১২৬ বা তার বেশি অতিক্রম করে যায়, তবে তা নিশ্চিতভাবে ওই ব্যক্তির ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সুস্পষ্ট ও অকাট্য ইঙ্গিত বহন করে। ফাস্টিং পরীক্ষার পাশাপাশি পোস্ট-প্র্যান্ডিয়াল বা খাওয়ার পরের রক্তে শর্করা পরীক্ষাটিও ডায়াবেটিস নির্ণয় ও দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
সাধারণত একজন রোগী তার দুপুরের বা রাতের ভারী ও প্রধান খাবার গ্রহণের ঠিক দুই ঘণ্টা পর এই পরীক্ষাটি সম্পন্ন করে থাকেন। এই পরীক্ষার বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্য হলো, খাবার পরিপাক হওয়ার পর রক্তে যে বিপুল পরিমাণ গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়, অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোন সেই গ্লুকোজকে কতটা কার্যকরভাবে ও দ্রুততার সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দিয়ে রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে পারছে, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা।
সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার ঠিক দুই ঘণ্টা পর রক্তে শর্করার মাত্রা ১৪০ মিলিগ্রামের নিচে থাকা বাঞ্ছনীয়। যদি খাওয়ার পর গ্লুকোমিটারে শর্করার মাত্রা ১৪০ থেকে ১৯৯-এর মধ্যে প্রদর্শিত হয়, তবে রোগীকে অবিলম্বে প্রি-ডায়াবেটিসের সতর্কবার্তা হিসেবে ধরে নিতে হবে এবং খাদ্যাভ্যাসে লাগাম টানতে হবে।
আর এই মাত্রা যদি কোনোভাবে ২০০ মিলিগ্রামের ঘর অতিক্রম করে যায়, তবে তা সন্দেহাতীতভাবে ডায়াবেটিসের সংকেত প্রদান করে এবং কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা আবশ্যক হয়ে পড়ে।
প্রতিদিনের শর্করার এই সাময়িক ওঠানামার বাইরেও রোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অবস্থা ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সফলতা বোঝার জন্য 'এইচবিএওয়ানসি' বা গত তিন মাসের শর্করার গড় মাত্রা নির্ণয়ের রক্ত পরীক্ষাটি বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত।
সাধারণ গ্লুকোমিটারের সাময়িক ফলাফলের চেয়ে এই ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগীর বিগত তিন মাসের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের একটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সামগ্রিক চিত্র পাওয়া যায়। এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফল যদি ৫ দশমিক ৭ শতাংশের নিচে থাকে, তবে ধরে নিতে হবে রোগীর ডায়াবেটিস নেই এবং তিনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছেন।
ফলাফল যদি ৫ দশমিক ৭ থেকে ৬ দশমিক ৪ শতাংশের মধ্যে থাকে, তবে তা প্রি-ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য হয় এবং জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়। আর এই হার যদি কোনোভাবে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছে যায় বা তা অতিক্রম করে, তবে তা রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি এবং পূর্ণাঙ্গ ডায়াবেটিস হিসেবে চিকিৎসকদের কাছে চিহ্নিত হয়।
ডা. আশিস মিত্র ডায়াবেটিস রোগীদের পরামর্শ দেন যে, দীর্ঘমেয়াদে জটিলতা মুক্ত ও সুস্থ থাকতে হলে খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা সাধারণত ৯০ থেকে ১১০-এর মধ্যে এবং যেকোনো প্রধান খাবার খাওয়ার পর তা ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত।
যারা অত্যন্ত সচেতনভাবে নিয়মিত বাড়িতে গ্লুকোমিটারের সাহায্যে নিজেদের রক্তে সুগার পরীক্ষা করেন, তাদের জন্য ডা. মিত্র একটি বিশেষ, যৌক্তিক এবং অত্যন্ত জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, প্রতিদিন কেবল দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে বা শুধু একবার সুগার মাপা ডায়াবেটিস মোকাবিলার জন্য কখনোই পর্যাপ্ত কৌশল হতে পারে না।
অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই এমন একটি বিভ্রান্তিকর ও হতাশাজনক পরিস্থিতি দেখা যায় যেখানে তাদের প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিংবা দুপুরের খাবার খাওয়ার পর শর্করার মাত্রা একেবারে স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই থাকে, কিন্তু যখন ল্যাবরেটরিতে তিন মাসের গড় বা এইচবিএওয়ানসি পরীক্ষা করা হয়, তখন ফলাফল ৬ দশমিক ৫ শতাংশের অনেক বেশি আসে।
এর অন্তর্নিহিত বৈজ্ঞানিক কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, মানবদেহে সারাদিনের মধ্যে শর্করার মাত্রা বিভিন্ন সময়ে নানা কারণে ওঠানামা করে। কেউ যদি শুধু দুপুরের খাবারের পর পরীক্ষা করার রুটিন তৈরি করেন, তবে তিনি হয়তো সকালের নাশতা বা রাতের ভারী খাবারের পর শর্করার যে আকস্মিক ও বিপজ্জনক বৃদ্ধি ঘটে, সেই বিষয়টি সম্পূর্ণ অগোচরে থেকে যায়।
এমনও হতে পারে যে, দিনের কোনো একসময় সুগার কমে যাওয়ার কারণে রোগীর প্রচণ্ড ক্ষুধা অনুভব হয় এবং তিনি পেট ভরে অতিরিক্ত শর্করাজাতীয় খাবার খেয়ে নেন, যার ফলে ঠিক সেই সময়েই রক্তে শর্করা বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে যায়।
এই লুক্কায়িত ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিগুলোই মূলত রোগীর রক্তে তিন মাসের গড় শর্করার মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নীরব ক্ষতি সাধন করে। তাই ডায়াবেটিস সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়ার জন্য দিনের বিভিন্ন সময়ে, যেমন কখনও সকালের নাশতার পর, কখনও বা রাতের খাবারের পর-এভাবে সময় পরিবর্তন করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শর্করা পরিমাপ করা উচিত।
কেবল এক বেলা বা এক সময়ে পরীক্ষা করলে প্রকৃত অবস্থা কখনোই অনুধাবন করা সম্ভব নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা অত্যাধিক বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি এটি অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার চরম ঝুঁকি নিয়েও রোগীদের সমপরিমাণ সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় রক্তে শর্করা বিপৎসীমার নিচে বা অস্বাভাবিক মাত্রায় কমে যাওয়াকে 'হাইপোগ্লাইসেমিয়া' বলা হয়ে থাকে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ শর্করার চেয়ে রক্তে শর্করার এই আকস্মিক পতন রোগীর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে বেশি প্রাণঘাতী ও মারাত্মক হতে পারে।
এর ফলে রোগীর প্রচণ্ড ঘাম হওয়া, বুক ধড়ফড় করা, চোখে ঝাপসা দেখা, এমনকি অজ্ঞান হয়ে কোমায় চলে যাওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। ডা. মিত্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ও সতর্কতার সুরে জানান যে, রক্তে শর্করার মাত্রা যদি কোনো কারণে ডেসিলিটার প্রতি ৭০ মিলিগ্রামে নেমে যায়, তবে তা স্পষ্টতই হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ এবং এটি যেকোনো রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে, তা অতিরিক্ত ব্যায়ামের কারণেই হোক বা ইনসুলিন গ্রহণের অসামঞ্জস্যতার কারণেই হোক, রক্তে শর্করার মাত্রা সব সময় ৮০-এর ওপরে রাখা একান্ত অপরিহার্য। পরিশেষে এটি বলা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক যে, ডায়াবেটিস কোনো সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ না হলেও, সঠিক ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম, দুশ্চিন্তামুক্ত ও শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবনযাপন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিবিড় পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
বাড়িতে বসে গ্লুকোমিটারের সঠিক ব্যবহার এবং বিভিন্ন সময়ে শর্করার মাত্রার বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ ডায়াবেটিস নামক এই নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় ও কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।