দেশের সামুদ্রিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এর পরিমাণ নির্ধারণ ও চিহ্নিত করার জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার। তিনি বলেছেন, "আমরা এখনও আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নই।"
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট’-এর অধীনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ফরিদা আক্তার বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) সামুদ্রিক মৎস্য এবং গভীর সমুদ্রের মৎস্য সম্ভাবনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এ বিষয়ে আমাদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।" তিনি স্বীকার করেন যে, মন্ত্রণালয় অভ্যন্তরীণ মৎস্য খাতের উন্নয়নে অনেক কাজ করলেও গভীর সমুদ্রের মৎস্য খাত নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম কাজ হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, "উৎপাদন বাড়লেও আমরা যদি জেলেদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হই, তবে প্রত্যাশিত মৎস্য আহরণ সম্ভব হবে না।" তিনি জেলেদের সুরক্ষা এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
উন্নয়নের নামে পরিবেশ, জীবন ও প্রকৃতি ধ্বংস করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ও সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপের নির্দেশ দিয়েছেন।
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।