বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকসই শান্তি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব নিশ্চিতে বাংলাদেশের জোরালো আহ্বান

আর এন এস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম

টেকসই শান্তি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব নিশ্চিতে বাংলাদেশের জোরালো আহ্বান
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুদ্ধবিগ্রহ এবং নানাবিধ মানবিক সংকটের এই চরম সংকটময় সময়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে টেকসই শান্তি ও নিশ্ছিদ্র বৈশ্বিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের পূর্ণাঙ্গ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর অত্যন্ত জোরালো ও সুনির্দিষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।

 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক বৈঠকে বাংলাদেশের এই দৃঢ় অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখার কথা বিশ্বনেতাদের সামনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

 

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় নারীদের ভূমিকা কেবল সহায়ক বা গৌণ নয়, বরং তারা যে যেকোনো শান্তি প্রক্রিয়ার অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ-এই শাশ্বত নীতিকে ধারণ করে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্বব্যবস্থা গড়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার, চব্বিশে সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিস্তারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তর্জাতিক এই মর্যাদাপূর্ণ কূটনীতির মঞ্চে বাংলাদেশের গঠনমূলক, দিকনির্দেশনামূলক ও বলিষ্ঠ অংশগ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর নির্ভরযোগ্য তথ্যমতে, নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একাশিতম বার্ষিক অধিবেশনের অত্যন্ত ব্যস্ত সময়সূচির ফাঁকে ফিলিপাইন, ইতালি এবং জাতিসংঘের নারী অধিকার ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা ‘ইউএন উইমেন’-এর যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা ফোকাল পয়েন্ট নেটওয়ার্ক’ (ডব্লিউপিএস) শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক বার্ষিক সমাবেশের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত নিরসন ও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীদের দৃশ্যমান অবদানকে আরও সুসংহত, সুরক্ষিত ও প্রসারিত করা।

 

চলতি বছরটি আন্তর্জাতিক কূটনীতির ইতিহাসে একটি বিশেষ ও যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে, কারণ এ বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ঐতিহাসিক ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক প্রস্তাবনা ১৩২৫’ গ্রহণের পঁচিশ বছর বা রজতজয়ন্তী পূর্তি উদ্‌যাপিত হচ্ছে।

 

এই ঐতিহাসিক ক্ষণকে সামনে রেখে আয়োজিত বৈঠকে বিগত আড়াই দশকে প্রস্তাবনাটির সামগ্রিক বাস্তবায়ন পরিস্থিতি, তৃণমূল পর্যায়ে অর্জিত সাফল্য, বিদ্যমান কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা কীভাবে আরও কার্যকর ও জোরদার করা যায়, সে বিষয়ে বিশ্বনেতারা অত্যন্ত বিশদ, গভীর ও গঠনমূলক আলোচনা পর্যালোচনা করেন।

 

উচ্চপর্যায়ের এই সম্মানজনক বৈঠকে দেওয়া নিজের সুচিন্তিত, সময়োপযোগী ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিশ্বমঞ্চে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অবদানের কথা সগর্বে স্মরণ করিয়ে দেন।

 

তিনি অত্যন্ত আবেগময় অথচ দৃঢ়কণ্ঠে উল্লেখ করেন যে, আজ থেকে দুই দশকেরও বেশি সময় আগে, ২০০০ সালে যখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এই যুগান্তকারী ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাবনাটি গৃহীত হচ্ছিল, তখন বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের একজন অত্যন্ত সক্রিয় ও নির্বাচিত সদস্য হিসেবে এর সপক্ষে জোরালো জনমত গঠনে এবং প্রস্তাবনাটি চূড়ান্তভাবে পাসের ক্ষেত্রে এক অগ্রণী ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।

 

সেই সময় থেকেই বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংঘাত নিরসন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত সমাজ পুনর্গঠনে নারীদের অধিকার ও অংশগ্রহণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য প্রেরণকারী শীর্ষ দেশগুলোর অন্যতম এবং বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে, বিশেষ করে আফ্রিকা ও ক্যারিবীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের সাহসিকতা ও অসামান্য অবদান আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

 

সেই গৌরবময় ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিটি নীতিনির্ধারণী ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর সমান, অবাধ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের যে অবিচল রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার রয়েছে, তা তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে পুনরায় অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যক্ত করেন।

 

বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তিত জলবায়ু পরিস্থিতি এবং এর ফলে সৃষ্ট নানাবিধ জটিল মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

 

তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, যেকোনো শান্তি আলোচনা, যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং সংঘাত-পরবর্তী সমাজ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ আরও বহুগুণে বৃদ্ধি করতে হবে; কারণ নারীরা কেবল সংঘাতের শিকারই হন না, তারা শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর অনুঘটক হিসেবেও কাজ করেন।

 

একই সঙ্গে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াল থাবা মোকাবিলা এবং যেকোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ের সময় পরিচালিত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বা ডব্লিউপিএস অ্যাজেন্ডার পূর্ণাঙ্গ অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

 

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে, বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে নারীদের ওপর প্রতিনিয়ত ঘটে চলা চরম সহিংসতা, পাশবিক যৌন নির্যাতন এবং অন্যান্য মানবতাবিরোধী জঘন্য অপরাধের কথা উল্লেখ করে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এসব অপরাধের দ্রুত বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

 

তিনি স্পষ্টভাবে স্মরণ করিয়ে দেন যে, দোষীদের বিচারহীনতার সংস্কৃতি জিইয়ে রেখে এবং নারীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করে কোনোভাবেই বিশ্বে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই শান্তি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

 

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের জোরালো প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বাংলাদেশ কতটা অগ্রসর, তার একটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও আশাব্যঞ্জক চিত্রও প্রতিমন্ত্রীর বিস্তৃত বক্তব্যে উঠে আসে।

 

তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবহিত করেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক নিজস্ব দ্বিতীয় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বা ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ প্রণয়নের কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ও সুচারুভাবে এগিয়ে নিচ্ছে।

 

এই যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের একেবারে প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের সব ধরনের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সুরক্ষা প্রদান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।

 

বাংলাদেশ গভীরভাবে বিশ্বাস করে যে, একটি সুপরিকল্পিত ও শক্তিশালী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা কেবল দেশের ভেতরের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই নিশ্চিত করবে না, বরং আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের অমূল্য অবদানকেও আগামী দিনগুলোতে আরও সুসংহত, দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

 

একুশ শতকের আধুনিক প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের পাশাপাশি নারীদের জন্য তৈরি হওয়া নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও প্রচ্ছন্ন হুমকির বিষয়টিও অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে।

 

ডিজিটাল যুগে ভার্চুয়াল জগতে নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সাইবার হয়রানি এবং বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে নারী নেত্রী, মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ নারীদের বিরুদ্ধে যে নতুন মাত্রার প্রযুক্তিগত সহিংসতা, চরিত্রহনন ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

 

তিনি সতর্ক করে দেন যে, প্রযুক্তির এই নেতিবাচক ব্যবহার নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর সংঘাত ও সহিংসতা মোকাবিলায় এবং সাইবার জগতে নারীদের নিরঙ্কুশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের নেতৃত্বাধীন একটি সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘ঢাকা ডায়ালগ’-এর বিষয়টি তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে অত্যন্ত জোরালো ও সবিস্তারে তুলে ধরেন।

 

তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই ডায়ালগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার এবং প্রযুক্তিগত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে একটি সুদৃঢ় বৈশ্বিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্বনেতাদের একতাবদ্ধ করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

বক্তব্যের একেবারে শেষাংশে এসে একটি বৃহত্তর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক জোট গঠনের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিশ্বজুড়ে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বিশ্ব শান্তিতে গভীরভাবে বিশ্বাসী দেশগুলোকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও নিবিড়ভাবে ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি আসন্ন ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’ জোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ও আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

 

এই জোটের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সদস্য রাষ্ট্রগুলো পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সম্মিলিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডাকে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে আরও সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

পরিশেষে বলা যায়, তার এই অত্যন্ত দূরদর্শী, বিশ্লেষণধর্মী ও তথ্যবহুল বক্তব্য জাতিসংঘে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বৈশ্বিক কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা ও সাধুবাদ কুড়িয়েছে।

 

এর মধ্য দিয়ে নারী ক্ষমতায়ন, জেন্ডার সমতা এবং বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অগ্রগামী ও অনুকরণীয় ভূমিকাকে বিশ্ব দরবারে আরও একবার অত্যন্ত উজ্জ্বল, স্পষ্ট ও সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হয়েছে।