সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সার্থক ও সফল হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আর এন এস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সার্থক ও সফল হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ছবি : Collected

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের যোগদান সর্বতোভাবে সার্থক, সফল এবং কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে মূল্যায়ন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

দীর্ঘ সময় পর জনগণের নিরঙ্কুশ ও স্বতঃস্ফূর্ত জনমতে নির্বাচিত একজন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক এই শীর্ষ মঞ্চে বাংলাদেশের উপস্থিতি বিশ্ব দরবারে দেশের আত্মবিশ্বাস, জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানকে এক অভূতপূর্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।

 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ ও জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক এই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফর পর্যালোচনা করে বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব আশাব্যঞ্জক কথা ব্যক্ত করেন।

 

তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের রূপকল্প, কৌশলগত প্রতিশ্রুতি এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই সফর এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাঁর প্রারম্ভিক বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, সার্বিক দিক বিবেচনায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের চলতি অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক উপস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার এক সোনালী সুযোগ তৈরি করেছে।

 

নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের সুনির্দিষ্ট বৈশ্বিক অঙ্গীকার ও আকাঙ্ক্ষাকে অত্যন্ত কার্যকরভাবে বৈশ্বিক অঙ্গনে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এই চার দিনের সংক্ষিপ্ত সফরটি এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অবহিত করেন যে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও বহুপাক্ষিক আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতারা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি তাঁদের পূর্ণ ও অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

 

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যস্ততম ও সুনির্দিষ্ট কার্যসূচির এক বিস্তারিত কূটনৈতিক বিবরণ সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন।

 

তিনি জানান, নিউইয়র্কে অবস্থানকালীন চার দিনের সংক্ষিপ্ত অথচ অত্যন্ত নিবিড় ও ফলপ্রসূ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সর্বসাকুল্যে মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

 

এই কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণ, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তা ছাড়া, বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকট, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কিত ৭টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের বিশেষ সভায় তিনি বাংলাদেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে বক্তব্য প্রদান করেছেন।

 

বৈশ্বিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ১১টি প্রভাবশালী সার্বভৌম রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মুখোমুখি গঠনমূলক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন এবং জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ব্যক্তিবর্গসহ আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ১০টি শক্তিশালী সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে পৃথক পৃথক ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সম্পন্ন করেছেন।

 

বিশ্বনেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং অর্থবহ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

দ্বিপাক্ষিক এই আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ইউরেশিয়া অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী দেশ তুরস্কের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী দেশ ইরানের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেন।

 

এ ছাড়া দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র মালদ্বীপের মাননীয় উপ-রাষ্ট্রপতি, ভুটানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি থাইল্যান্ডের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদীয়মান সদস্য দেশ ক্রোয়েশিয়ার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের রাষ্ট্র হাইতির মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

 

তা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধ রাষ্ট্র কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স-এর সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সম্পর্কের পরিধি আরও জোরদার করার বিষয়ে ঐকমত্য অর্জিত হয়।

 

দ্বিপাক্ষিক সরকারি বৈঠকগুলোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোর শীর্ষ কূটনৈতিক নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

 

তিনি জানান, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক দেশ সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাননীয় উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীগণ পৃথক পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর আবাসন স্থলে গিয়ে তাঁর সাথে অত্যন্ত গভীর আন্তরিক পরিবেশে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

 

এসব সাক্ষাৎকালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের কল্যাণ, দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। অন্যদিকে বৈশ্বিক বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সঙ্গেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে জাতিসংঘের সুযোগ্য মহাসচিবের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। এ ছাড়া বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের সম্মানীয় প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর), জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক পরম শ্রদ্ধেয় হাইকমিশনার এবং মিয়ানমার সংকট সংক্রান্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের সঙ্গে আলাদাভাবে সৌজন্য বৈঠকে অংশ নেন।

 

এসব উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, শরণার্থী ব্যবস্থাপনা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মতো জাতীয় ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়।

 

কূটনৈতিক নীতি নির্ধারণী বৈঠকের পাশাপাশি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য খাতের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেশ কয়েকটি ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে গবেষণাকারী খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠান 'ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট'-এর শ্রদ্ধেয় প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মানবাধিকার ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন সংস্থা 'গেটস ফাউন্ডেশন'-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল খাতের উন্নয়নে বৈশ্বিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

 

তা ছাড়া বৈশ্বিক বিমান চলাচল ও প্রযুক্তির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান 'বোয়িং গ্লোবাল'-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে তাদের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। সফরকালে নিউইয়র্কের বিশ্বখ্যাত আর্থিক কেন্দ্র 'ওয়াল স্ট্রিট'-এর শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নতুন বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, উদার বিনিয়োগবান্ধব নীতি এবং উদীয়মান বাজার হিসেবে বাংলাদেশের সুবিধাসমূহ তুলে ধরে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব, বিশ্বখ্যাত কর্পোরেট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রধানদের সাথে অনুষ্ঠিত এই বহুমাত্রিক আলোচনা ও বৈঠকসমূহ আগামী দিনে বাংলাদেশের কৌশলগত ও কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে।

 

দীর্ঘদিন পর একটি নিরঙ্কুশ ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত নতুন সরকারের প্রতি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের এই বিপুল আগ্রহ, সমর্থন এবং ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে যে, বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত মর্যাদা ও ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে সফল হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই চার দিনের সুনিবিড় জাতিসংঘ সফর কেবল বাংলাদেশের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেনি, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক সুযোগের এক নতুন সম্ভাবনাময় দুয়ার উন্মোচন করেছে।

 

সামগ্রিক মূল্যায়নে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের এই সুনির্দিষ্ট অংশগ্রহণ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য, অর্থবহ ও সার্থক কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে ইতিহাসে লিখিত থাকবে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির অভিমত প্রকাশ করেন।