বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২৬
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরাক থেকে সেনাদের স্ক্রু পর্যন্ত নিয়ে আসতে বলেছি - ট্রাম্প

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম

ইরাক থেকে সেনাদের স্ক্রু পর্যন্ত নিয়ে আসতে বলেছি - ট্রাম্প
ছবি : Collected

সুদীর্ঘ তেইশ বছরের এক রক্তক্ষয়ী, সংঘাতপূর্ণ ও অত্যন্ত জটিল অধ্যায়ের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত রাষ্ট্র ইরাক থেকে নিজেদের সর্বশেষ সেনাসদস্যকেও সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

 

এই ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা একটি সুদীর্ঘ সামরিক ও রাজনৈতিক সমীকরণের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটল। এখন থেকে স্বাধীন, মুক্ত ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইরাকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সীমানা পাহারার সম্পূর্ণ ও একক দায়িত্ব পালন করবে দেশটির নিজস্ব সশস্ত্র ও নিরাপত্তা বাহিনী।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই চূড়ান্ত ও সামগ্রিক সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাটিকে উভয় রাষ্ট্রের জন্যই একটি যুগান্তকারী 'বিজয়' হিসেবে অত্যন্ত জোরালোভাবে আখ্যায়িত করেছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 

তিনি বিশ্ববাসীর সামনে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করেছেন যে, আন্তর্জাতিক চরমপন্থী ও বিভীষিকাময় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএসআইএস-এর বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর ও চূড়ান্ত ধ্বংসাত্মক লড়াইয়ে মার্কিন এবং মিত্র বাহিনী চূড়ান্ত সফলতা ও বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

 

এই ঐতিহাসিক বিজয়ের ফলেই আজ ইরাকের মাটি থেকে মাথা উঁচু করে মার্কিন সেনাদের নিজ মাতৃভূমিতে সগৌরবে ফিরে যাওয়ার পথ চিরতরে প্রশস্ত হয়েছে। ইরাক থেকে শুধুমাত্র সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরই ফিরিয়ে আনা হয়নি, বরং দীর্ঘ দুই যুগের সামরিক উপস্থিতির ফলে সেখানে তিল তিল করে গড়ে ওঠা বিশাল সামরিক অবকাঠামো এবং ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র ও সরঞ্জামাদিও অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সুরক্ষিতভাবে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কঠোর ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশ প্রদান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

 

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া এক আবেগঘন, তাৎপর্যপূর্ণ অথচ দৃঢ় বার্তায় তিনি এই সুদীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসের অন্যতম এক যন্ত্রণাদায়ক ও শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

তার ভাষায়, ইরাক থেকে মার্কিন সেনাদের এই সফল, সুরক্ষিত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক বিশাল ও অবিস্মরণীয় বিজয়। এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে তিনি এক 'ভয়াবহ নরক ভ্রমণের চূড়ান্ত সমাপ্তি' বলে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বর্ণনা করেছেন।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তব্যে অত্যন্ত বেদনাহত ও ভারাক্রান্ত কণ্ঠে স্মরণ করেন সেই সমস্ত বীর ও অকুতোভয় মার্কিন সেনাদের, যারা গত তেইশ বছরের এই দীর্ঘ, নির্মম ও ক্লান্তিকর যুদ্ধে নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং মাতৃভূমির জন্য অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।

 

তিনি আনুষ্ঠানিক ও সরকারি পরিসংখ্যানে অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে তুলে ধরেন যে, এই সুদীর্ঘ সময়ের ভয়াবহ সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তার চার হাজার ৫০০ জন সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সেনাসদস্যকে চিরতরে হারিয়েছে, যারা আর কখনোই তাদের প্রিয়জনদের কাছে ফিরে যেতে পারবেন না।

 

শুধু তাই নয়, এই নির্মম যুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মারাত্মক এবং ভয়াবহভাবে আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩১ হাজার মার্কিন সেনা। এদের মধ্যে অনেকেই আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন অথবা শারীরিক ও মানসিক আঘাতের ভয়াবহতা নীরবে বহন করে চলেছেন, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

 

এর পাশাপাশি, এই সামরিক অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তাকারী হিসেবে কর্মরত কয়েকশ বেসামরিক ঠিকাদার বা কন্ট্রাক্টরও এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে নিজেদের অমূল্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন বলে তিনি গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেন।

 

এই বিশাল মানবিক ক্ষতি ও আত্মত্যাগ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে, যা হয়তো কোনো দিনও পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর মহামূল্যবান সরঞ্জাম ও সমরাস্ত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনার কঠোরতা, সূক্ষ্মতা ও ব্যাপকতা ছিল অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং সামরিক ইতিহাসে নজিরবিহীন।

 

তিনি সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের এবং মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের অত্যন্ত সুস্পষ্ট, কঠোর ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নির্দেশ দিয়েছেন যেন ইরাকের মাটিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত কোনো ছোটখাটো জিনিস বা সামান্যতম প্রযুক্তিও ভুলে ফেলে আসা না হয়।

 

নিজের এই কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, তিনি সামরিক কমান্ডারদের অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলে দিয়েছেন যে, ইরাক থেকে শুধু বড় বড় সমরাস্ত্র, সাঁজোয়া যান, ট্যাঙ্ক বা অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানই নয়, বরং মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত প্রতিটি 'স্ক্রু' বা ছোট পেরেকটিও যেন যুক্তরাষ্ট্রে সযত্নে ও নিরাপদে ফেরত আনা হয়।

 

এই নির্দেশনার মূল ও প্রধান উদ্দেশ্য হলো, কোনোভাবেই যেন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন সামরিক প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক অস্ত্র বা সামান্যতম সরঞ্জামও ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চরমপন্থী গোষ্ঠী, সন্ত্রাসী সংগঠন বা বৈরী শক্তির হস্তগত না হয়, তা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা।

 

ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনীর এই অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, সুপরিকল্পিত, সুরক্ষিত ও গোছানো সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক মহলে এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক বিশ্লেষকদের কাছে কয়েক বছর আগে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনীর অত্যন্ত বিশৃঙ্খল, মর্মান্তিক ও সমালোচিত সেনা প্রত্যাহারের ভয়াবহ স্মৃতিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

 

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশ্লেষকরা খুব সহজেই এই দুই প্রত্যাহারের দৃশ্যপটের মধ্যে একটি বস্তুনিষ্ঠ ও তুলনামূলক আলোচনা শুরু করেছেন। বিশ্ববাসী খুব ভালো করেই স্মরণ করতে পারে যে, ২০২১ সালে যখন দীর্ঘ বিশ বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আফগানিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল, তখন সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ, নিয়ন্ত্রণহীন, অমানবিক ও বিশৃঙ্খল রূপ ধারণ করেছিল।

 

মার্কিন বাহিনীর সেই তড়িঘড়ি, সমন্বয়হীন এবং অপরিকল্পিত প্রত্যাহারের সুযোগ নিয়ে সশস্ত্র ও কট্টরপন্থী গোষ্ঠী তালেবান অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিনা বাধায় গোটা আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছিল।

 

তালেবান যোদ্ধারা যখন চারদিক থেকে রাজধানী কাবুলের দিকে প্রচণ্ড বেগে ও অপ্রতিরোধ্যভাবে ধেয়ে আসছিল, তখন সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনা, পশ্চিমা কূটনীতিক এবং তাদের দীর্ঘদিনের সহযোগী নিরীহ আফগান নাগরিকরা এক চরম আতঙ্ক, হতাশা ও বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন।

 

প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে হাজার হাজার মানুষ যখন দেশ ছাড়ার মরিয়া আশায় কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল, ঠিক সেই চরম বিশৃঙ্খল, অরক্ষিত ও মর্মান্তিক মুহূর্তে সেখানে এক ভয়াবহ, বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

 

সেই মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক বোমা হামলায় ১৩ জন অকুতোভয় মার্কিন সেনাসদস্যসহ অসংখ্য নিরীহ, অসহায় ও সাধারণ আফগান নাগরিক নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন, যা সমগ্র বিশ্ববিবেককে গভীরভাবে শোকাহত, ক্ষুব্ধ ও স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

 

সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার তুলনায় ইরাক থেকে বর্তমানের এই সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুরক্ষিত, পরিকল্পিত, বাধাহীন এবং সম্মানজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে মার্কিন প্রশাসন অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করছে।

 

এই ঐতিহাসিক সেনা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন, পরিবর্তিত এবং একইসঙ্গে কিছুটা অনিশ্চিত অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে বলে অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক গভীরভাবে মনে করছেন।

 

ইরাকের নিজস্ব সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনী এখন থেকে তাদের মাতৃভূমির সুরক্ষায় এবং অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কতটুকু সফল হবে, সেটি একটি বড় বিবেচনার বিষয়। তাছাড়া, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে তারা কীভাবে আইএসআইএস বা অন্য কোনো চরমপন্থী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত পুনরুত্থানকে রুখে দেবে, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

দীর্ঘদিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের নিজস্ব বাহিনীর জন্য এককভাবে এই বিশাল দায়িত্ব পালন করা নিঃসন্দেহে একটি কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কাজ। তবে, গত কয়েক বছরে মার্কিন বাহিনীর নিবিড় প্রশিক্ষণ ও সহায়তায় ইরাকি বাহিনী নিজেদের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পেরেছে বলেও অনেক সামরিক পর্যবেক্ষক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

 

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে অন্তত একটি বিষয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্তহীন, ব্যয়বহুল ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধগুলো থেকে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে গুটিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।

 

এর পরিবর্তে মার্কিন প্রশাসন এখন নিজেদের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং বিশ্বমঞ্চে অন্যান্য উদীয়মান কৌশলগত ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর দিকে অধিকতর মনোযোগ ও সম্পদ নিবদ্ধ করতে চাইছে।

 

দীর্ঘ তেইশ বছরের এই ইরাক যুদ্ধ মার্কিন অর্থনীতি, রাজনীতি এবং সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে গভীর, সুদূরপ্রসারী ও বহুমুখী ক্ষতের সৃষ্টি করেছে, তা কাটিয়ে উঠতে হয়তো আরও কয়েক দশক সময় লেগে যাবে।

 

তবে এই চূড়ান্ত, সফল ও সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধে নিহত ও আহত সেনাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলো অন্তত এই ভেবে কিছুটা মানসিক সান্ত্বনা খুঁজে পাবে যে, তাদের প্রিয়জনদের অসীম আত্মত্যাগ ও বীরত্ব সম্পূর্ণ বৃথা যায়নি।

 

সর্বোপরি, নতুন করে আর কোনো তরুণ মার্কিন সেনাকে বা তাদের পরিবারকে এই 'নরক ভ্রমণের' ভয়াবহ ও অমানবিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। এটি শুধু একটি সাধারণ সামরিক প্রত্যাহার নয়, বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পররাষ্ট্রনীতি, বৈশ্বিক কৌশল এবং সামরিক দৃষ্টিভঙ্গির এক ঐতিহাসিক ও অভাবনীয় পালাবদল, যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও ফলাফল আগামী দশকগুলোতে সমগ্র বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অত্যন্ত গভীরভাবে অনুরণিত হবে।

 

- মিডেল ইস্ট আই