তামিমের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত প্রথম সেমিস্টারের জিপিএ ২.০০ অর্জন করতে পারেনি একবারও। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিধি অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থীকে পরবর্তী সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হতে ন্যূনতম ২.০০ সিজিপিএ অর্জন করতে হয় তা করতে না পারায় তিন বছর যাবৎ প্রথমবর্ষেই পড়ে আছেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় এই ছাত্রনেতা পরপর তিন বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও প্রয়োজনীয় ফল অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
বর্তমানে তিনি শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক রাফি সিকদারের অনুসারী হিসেবে রাজনীতি করেন। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন।
ববি ছাত্রদল প্রচার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ তামিম বলেন,'প্রথম সেমিস্টার ব্যক্তিগত কারনে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করিনি। পরে দুইবার পরিক্ষা দিলেও অসুস্থ থাকার কারনে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারিনি।
বর্তমানে পড়ালেখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সেমিস্টার চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিভাগে খুব দ্রুতই যোগাযোগ করবো।' এ বিষয়ে সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবু জিহাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ফয়সাল পড়াশোনায় খুবই দুর্বল হওয়ায় তিনি বারবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছেন না।
তাকে একাধিকবার পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।” তিনি আরও বলেন, “সাধারণত পরপর তিন বছর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে শিক্ষার্থীদের আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।
তারপরও আমি তাকে আবেদন করতে বলেছিলাম, যাতে বিষয়টি একাডেমিক কাউন্সিলে উত্থাপন করে বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানো যায়। কিন্তু সে বিষয়ে তিনি কোনো উদ্যোগ নেননি।”