ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থীর নাম মো. রেদোয়ান উকিল, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে প্রাপ্ত স্নাতকোত্তরের ট্রান্সক্রিপ্টে ফলাফল প্রকাশের তারিখ ভুল উল্লেখ থাকায় ভাইভাতে জটিলতায় পড়তে হয় ঐ শিক্ষার্থীকে।
ভাইভা বোর্ডে তাকে ফলাফল প্রকাশের তারিখ ও সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখের গড়মিল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। ঐ শিক্ষার্থীর ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেটের কপি ও ফলাফল প্রকাশের নোটিশের ডকুমেন্টস এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
কাগজপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, তাঁর স্নাতকোত্তরের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ কিন্তু ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখ করা হয়েছে ২ আগস্ট ২০২৬ এদিকে সার্টিফিকেট ইস্যু তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৬।
এদিকে পূবালী ব্যাংকের চাকরির আবেদনের শেষ সময় ছিলো ২০২৬ সালের মে মাসে যেখানে উল্লেখ ছিলো স্নাতকোত্তরের ফলাফল প্রকাশিত থাকতে হবে। কিন্তু ট্রান্সক্রিপ্টে ফলাফল প্রকাশের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২ আগস্ট, তাহলে ফলাফল প্রকাশের পূর্বেই ঐ শিক্ষার্থী কিভাবে আবেদন করলেন সেটা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় ভাইভা বোর্ডে।
যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় তাকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. রোদোয়ান উকিল বলেন, একটি প্রশাসনিক ভুলের দায় কেন একজন চাকরিপ্রার্থীকে বহন করতে হবে? পূবালী ব্যাংকের ভাইভায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে আমাকে অত্যন্ত বিব্রতকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে ইস্যু করা সার্টিফিকেট ও মার্কশিটে ভুল Date of Issue উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর থেকেই ইস্যু করা হওয়ায়, একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি স্বাভাবিকভাবেই এসব নথির সঠিকতার ওপর নির্ভর করেছি।
কিন্তু সেই নথিতে থাকা ভুল তারিখের কারণে আজ পুবালী ব্যাংকের ভাইভা বোর্ডে আমার শিক্ষাগত নথিপত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং আমাকে ভাইভা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আমাকে যে বাদ দেয়া হলো এই দায় কি বিশ্ববিদ্যালয় নিবে? এমন প্রশ্ন করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. সাদেকুর রহমান বলেন, "আমাদের কাছে কোনো শিক্ষার্থী এবিষয়ে অভিযোগ করেননি, অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"