বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরেন্দ্র মোদিকে ‘ভোট চোর’ আখ্যা ককরোচ প্রধানের

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

নরেন্দ্র মোদিকে ‘ভোট চোর’ আখ্যা ককরোচ প্রধানের
ছবি : Collected

ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা এবং দেশব্যাপী ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিতর্কিত প্রক্রিয়া ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের তীব্র বিরোধিতা করে সরাসরি রাজপথে নেমেছে দেশটির সচেতন সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

 

এই চলমান ও ক্রমবর্ধমান প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত এক বিশাল গণসমাবেশে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর ও নজিরবিহীন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

 

সদ্য আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে এই প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অত্যন্ত সরাসরি ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভোট চোর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

 

তার এই বিস্ফোরক মন্তব্য ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে এই সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও বেগবান করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

 

বেঙ্গালুরুর ঐতিহাসিক ফ্রিডম পার্কে সুশীল সমাজের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং ককরোচ জনতা পার্টির যৌথ উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আয়োজক এবং অংশগ্রহণকারীরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘জনতার আদালত’ বা সাধারণ মানুষের বিচারালয়, যা মূলত রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতার প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

 

একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অত্যন্ত যৌক্তিক দাবি নিয়ে আয়োজিত এই সমাবেশে ভারতের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

 

তবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ভারতের জাতীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকজন অত্যন্ত প্রভাবশালী, পরিচিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের সশরীরে উপস্থিতি। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সমকালীন ভারতের রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা নিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে সদা সরব থাকা তুমুল জনপ্রিয় সমাজমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও প্রখর রাজনৈতিক বিশ্লেষক ধ্রুব রাঠি এবং ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও স্পষ্টবাদী মানবাধিকার কর্মী প্রকাশ রাজ।

 

তাদের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি এই স্থানীয় মাত্রার নাগরিক আন্দোলনকে এক ধাক্কায় সর্বভারতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। এই ‘জনতার আদালত’ নামক কর্মসূচির মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল ভারতের নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সাম্প্রতিক দেশব্যাপী ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া।

 

বিক্ষোভকারীদের প্রধান ও সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, একটি নিয়মিত প্রশাসনিক কাজের আড়ালে এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূলত একটি সুদূরপ্রসারী ও অশুভ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চলছে।

 

সমাবেশের মূল মঞ্চ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে তার দীর্ঘ ও আবেগপূর্ণ বক্তব্যে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং দলটির শীর্ষ নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে তীব্র ও তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেন।

 

তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় অভিযোগ করেন যে, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট বা রায় নিয়ে নয়, বরং কাঠামোগত ভোট চুরির এক সুপরিকল্পিত জালিয়াতির মাধ্যমেই নরেন্দ্র মোদি ভারতের রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

 

তিনি তার বক্তৃতায় দেশের ঐতিহ্যবাহী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার এবং সাধারণ নাগরিকের পবিত্র ভোটাধিকার হরণের যে অভিযোগ আনেন, তা ফ্রিডম পার্কে উপস্থিত হাজারো সাধারণ জনতার মাঝে প্রবল উন্মাদনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

 

অভিজিৎ দীপকে তার জ্বালাময়ী বক্তৃতায় ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং স্বাধীনতা নিয়ে গভীর সংশয় ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন বর্তমানে একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার পরিবর্তে ক্ষমতাসীন ডানপন্থী সরকারের একটি সম্পূর্ণ আজ্ঞাবহ ও দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

 

তার মতে, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার নামে অত্যন্ত সুকৌশলে ভোটার তালিকা থেকে লাখ লাখ সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার যে বিতর্কিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্যই হলো ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং বিজেপি-বিরোধী সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে চিরতরে বঞ্চিত করা।

 

তিনি মনে করেন, এটি কেবল একটি সাধারণ করণিক বা প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, বরং এটি ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর একটি চরম আঘাত এবং সুপরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্র হত্যার এক নীরব অথচ ভয়ানক প্রক্রিয়া।

 

যারা সরকারি নীতির সমালোচনা করেন, সমাজে ভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাস করেন বা নির্দিষ্ট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন, মূলত তাদেরকেই ভোটকেন্দ্র থেকে দূরে রাখতেই এই বিতর্কিত সংশোধন প্রক্রিয়াটি রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হাতে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি অত্যন্ত জোরালো দাবি করেন।

 

বেঙ্গালুরুর এই সুবিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে কেবল ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলেরই একতরফা সমালোচনা করা হয়নি, বরং নির্বাচন পরিচালনার মতো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ও সংবেদনশীল সাংবিধানিক পদে আসীন শীর্ষ ব্যক্তিদেরও জবাবদিহির আওতায় আনার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

 

বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে ভারতের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করা হয়। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে উপস্থিত লাখো জনতার সামনে অত্যন্ত সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত না ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তার পদ থেকে সম্পূর্ণভাবে পদত্যাগ করছেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের এই সরকারবিরোধী ও নির্বাচন কমিশনবিরোধী গণবিক্ষোভ কর্মসূচি দেশের রাজপথে নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।

 

নির্বাচন কমিশনের মতো একটি পবিত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের সরাসরি পদত্যাগের দাবি ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার এক চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

 

নাগরিক অধিকার আদায়ের এই দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ে কোনোভাবেই রাজপথ ছাড়বেন না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির এই তরুণ ও প্রতিবাদী প্রতিষ্ঠাতা। তিনি উপস্থিত ক্ষুব্ধ জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও গণ-আন্দোলনমূলক রূপরেখা তুলে ধরে বলেন যে, দেশের লুণ্ঠিত ও হারানো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধার করার জন্য সাধারণ মানুষকে এখন আর ঘরে বসে থাকলে চলবে না, বরং ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে লড়াই করতে হবে।

 

তিনি দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা করেন, "আমরা রাস্তায় নামব, দেশের লুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের এই ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।" তার এই সাহসী ও আপসহীন বক্তব্য শুধু বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কের সীমানাতেই আবদ্ধ থাকেনি, বরং বিভিন্ন মূলধারার সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে তা খুব দ্রুত সমগ্র ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক ভোটাধিকার রক্ষার এই উদাত্ত আহ্বানে দেশের সুশীল সমাজও ব্যাপকভাবে সাড়া দিচ্ছে বলে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে প্রতীয়মান হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টিতেও বেঙ্গালুরুর এই বিক্ষোভ সমাবেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।

 

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ভারতে যখন নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রাথমিক স্তর অর্থাৎ ভোটার তালিকা প্রণয়ন নিয়ে খোদ দেশের নাগরিকদের মধ্যেই এমন তীব্র অসন্তোষ ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়, তখন তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সেই দেশের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

 

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার মতো একটি নিয়মিত ও সাধারণ প্রশাসনিক কাজ যখন তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়, তখন বুঝতে হবে যে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থার এক ভয়াবহ ও গভীর সংকট তৈরি হয়েছে।

 

ধ্রুব রাঠি এবং প্রকাশ রাজের মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্বরা যখন নিজেদের পেশাগত গণ্ডি পেরিয়ে এই ধরনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সরাসরি যুক্ত হন, তখন তা কেবল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি একটি বৃহত্তর ও সর্বজনীন নাগরিক আন্দোলনে পরিণত হওয়ার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত প্রদান করে।

 

ভারতের মতো একটি চরম বৈচিত্র্যময় এবং বিশাল জনসংখ্যার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনের স্বচ্ছতা, অবাধ পরিবেশ এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় সাংবিধানিক দায়িত্ব।

 

কিন্তু যখন সেই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই সরাসরি পক্ষপাতিত্ব এবং নির্দিষ্ট একটি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষার গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তখন তা গোটা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নের সম্মুখীন করে তোলে।

 

ককরোচ জনতা পার্টি এবং ভারতের সচেতন সুশীল সমাজের এই যৌথ আন্দোলন মূলত ভারতের ক্রমশ দুর্বল হতে থাকা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি মরিয়া প্রচেষ্টা।

 

সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত নাগরিক আন্দোলন আগামী দিনে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারবে বা সরকারকে তাদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য করতে পারবে কি না, তা হয়তো সময়ই বলে দেবে।

 

তবে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, নিজেদের পবিত্র ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে ভারতের সচেতন নাগরিক সমাজ এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার।

 

তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার যেকোনো স্বৈরতান্ত্রিক প্রচেষ্টাকে রাজপথে কঠোরভাবে মোকাবিলার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে, যা ভারতের ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

- দ্য হিন্দু