প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, "প্লাস্টিক দূষণ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। একে মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগোতে হবে। শুধু নিজের স্বার্থেই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের এই পদক্ষেপ নিতে হবে, যেন আমরা তাদের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পৃথিবী রেখে যেতে পারি।" তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন।পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে জানানো হয়, সচিবালয়কে একটি আদর্শ পরিবেশবান্ধব স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সব মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয় দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম-সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় যা যা রয়েছে:
সরকার ইতোমধ্যে ১৭ ধরনের পণ্যকে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা সচিবালয়ে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— প্লাস্টিকের চামচ, প্লেট, কাপ, স্ট্র, চকলেটের মোড়ক, চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের দাওয়াত কার্ড, ব্যানার, পানির বোতল, বোতলের ক্যাপ এবং স্টাইরোফোমের তৈরি খাবারের পাত্র।অনুষ্ঠানে পরিবেশ সচিব মন্ত্রিপরিষদ সচিবের হাতে ১৭টি সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সামগ্রীর একটি সচিত্র তালিকা তুলে দেন এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব অন্যান্য সচিবদের হাতে বিকল্প হিসেবে পাট ও কাপড়ের ব্যাগ তুলে দিয়ে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। এই উদ্যোগ সফল হলে তা দেশব্যাপী প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র// ঢাকা পোস্ট