এছাড়াও পর্যায়ক্রমে সদর, চিলমারী ও রৌমারী উপজেলায় মোট ৪২০টি ভেড়া বিতরণ করা হবে। এর আগে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভেড়াগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সুস্থ ও রোগমুক্ত ভেড়াগুলোই উপকারভোগীদের দেওয়া হয়।
ফ্রেন্ডশিপের কর্মকর্তারা জানান, চরাঞ্চলের পরিবেশ ও স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে ভেড়া পালন বেশ উপযোগী। তুলনামূলক কম খরচে ভেড়া পালন করা যায়। পাশাপাশি এগুলো থেকে বাচ্চা উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবারের আয় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
ফলে ভেড়া পালন চরাঞ্চলের মানুষের জন্য জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই জীবিকার মাধ্যম হতে পারে। উপকারভোগী বুলবুলি বেগম বলেন, ‘আমার তেমন কোনো সম্পদ বা আয়ের উৎস নেই। ভেড়া পেয়ে মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
যত্ন করে এগুলো পালন করব। আশা করি, বাচ্চা হলে পরিবারের আয় বাড়বে।’ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জীবিকা উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। ভেড়া পালনের মাধ্যমে পরিবারগুলোর অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
এ কার্যক্রমে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ফ্রেন্ডশিপের রিজিওনাল ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সাল থেকে সংস্থাটি চরাঞ্চলের মানুষের জীবিকা উন্নয়ন, কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও জলবায়ু-সহনশীল বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
ভেড়া বিতরণও পরিবারের আয় বৃদ্ধি ও জীবিকার বৈচিত্র্যকরণে ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে মোগলবাসা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য জান্নাতুন নেছা জেবুসহ ফ্রেন্ডশিপের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।