রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

আর এন এস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পতাকার অনবদ্য মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সর্বোচ্চ এবং পবিত্র দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, একটি সামরিক ইউনিটের জন্য জাতীয় পতাকা বা ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অর্জনের অর্থ কেবল একটি সাধারণ আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি হলো দেশ ও জাতির প্রতি অর্পিত দায়িত্ব আরও গভীর নিষ্ঠা, সততা এবং অটল পেশাদারত্বের সঙ্গে পালন করার এক নতুন ও অলঙ্ঘনীয় শপথ।

 

রোববার, ১৮ অক্টোবর ঢাকার অদূরে সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর কয়েকটি স্বনামধন্য ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য, ভাবগম্ভীর ও সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপরিচয়ের সর্বোচ্চ প্রতীক এই পতাকার প্রতি অবিচল আনুগত্য প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি দিকনির্দেশনামূলক এই ভাষণ প্রদান করেন। সাভার সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পেশাগত নৈপুণ্য, কঠোর শৃঙ্খলা ও দেশমাতৃকার সেবায় আত্মোৎসর্গের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা হস্তান্তর করেন।

 

গৌরবজনক এই ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রাপ্তির বিরল সম্মান অর্জন করা ইউনিটগুলোর মধ্যে রয়েছে ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং ঐতিহ্যবাহী প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।

 

এই অনবদ্য অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ইউনিটের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সৈনিকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিক বাহিনীর একটি ইউনিটের জন্য এই সম্মাননা এক অনন্য মাইলফলক, যা তাদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম ও ত্যাগের ফসল।

 

ভাষণের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামরিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে তার একান্ত ব্যক্তিগত ও আবেগঘন সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, একজন সেনা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি স্বয়ং একটি সুশৃঙ্খল সামরিক পরিবেশের মধ্যেই বেড়ে উঠেছেন।

 

সেনাবাহিনীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, তাদের কঠোর শৃঙ্খলাবোধ, ত্যাগ এবং দেশপ্রেমের আদর্শের সঙ্গে তিনি শৈশব থেকেই গভীরভাবে পরিচিত। তাই আজ রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেও, সেনানিবাসের এই চিরচেনা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ তার কাছে মোটেও নতুন বা অপরিচিত কিছু নয়।

 

বরং এই পরিবেশ তাকে তার শিকড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও তাৎপর্যমণ্ডিত ভাষায় বলেন, এই ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শুধুমাত্র এক টুকরো রঙিন কাপড় বা একটি সাধারণ পতাকা নয়; বরং এটি একটি ইউনিটের সুদীর্ঘ ইতিহাস, অমূল্য ঐতিহ্য, কঠোর শৃঙ্খলা, চরম আত্মত্যাগ, অসামান্য পেশাদারত্ব এবং সর্বোপরি দেশের প্রতি নিঃশর্ত অঙ্গীকারের এক জীবন্ত প্রতীক।

 

পতাকার গৌরবময় উড্ডয়ন প্রতিনিয়তই আমাদের মহান স্বাধীনতা, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং এই দেশ স্বাধীন করার পেছনে অসংখ্য বীর শহীদের অপরিসীম আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এই পতাকার সম্মান সমুন্নত রাখার অর্থ হলো সেই সব বীর শহীদদের রক্তের ঋণ স্বীকার করা এবং তাদের স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশকে একটি সুরক্ষিত রাষ্ট্র হিসেবে টিকিয়ে রাখা।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্ম ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আলোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে এই সুশৃঙ্খল বাহিনীর অসামান্য ও যুগান্তকারী ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের নিরীহ ও নিরস্ত্র মানুষের ওপর ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত ও নিষ্ঠুর গণহত্যা শুরু করেছিল, ঠিক সেই চরম সংকটময় মুহূর্তে একটি অবিস্মরণীয় বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল।

 

চট্টগ্রামের মাটিতে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে ‘উই রিভোল্ট’ বা ‘আমরা বিদ্রোহ করলাম’ উচ্চারণ করে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।

 

পরবর্তীতে তিনি সকল বাংলাভাষী সামরিক কর্মকর্তা ও সৈনিকদের সশস্ত্র ও প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার ঐতিহাসিক নির্দেশ প্রদান করেন, যা সমগ্র জাতিকে মুক্তির এক নতুন দিশা এনে দিয়েছিল।

 

ইতিহাসের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা আরও বিশদভাবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২৬শে মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে মেজর জিয়াউর রহমান মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন।

 

এর পরদিন ২৭শে মার্চ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি সমগ্র জাতির উদ্দেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাঠ করেন। একটি পরাধীন জাতিকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করতে এবং বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে একজন পেশাদার সেনাকর্মকর্তার এই সময়োচিত, সাহসী ও সিদ্ধান্তমূলক ভূমিকা সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক চিরন্তন অনুপ্রেরণাদায়ক এবং গৌরবজনক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

 

এই ইতিহাস থেকেই আজকের সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত দেশপ্রেমের দীক্ষা গ্রহণ করে। একবিংশ শতাব্দীর পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর রূপরেখা কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী তার সুস্পষ্ট ও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান যুগে একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর প্রকৃত শক্তি শুধুমাত্র তাদের মজুতকৃত অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম বা বিশাল জনবলের সংখ্যার ওপর সীমাবদ্ধ নয়। বরং একটি বাহিনীর প্রকৃত ও অজেয় শক্তি নিহিত থাকে এর সদস্যদের কঠোর শৃঙ্খলা, পেশাগত দক্ষতা, যোগ্য নেতৃত্ব, অটুট নৈতিকতা, নিরবচ্ছিন্ন উন্নত প্রশিক্ষণ এবং সর্বোপরি জনগণের অগাধ আস্থা ও ভালোবাসার মধ্যে।

 

তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলেন, একটি সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো এর ‘চেইন অব কমান্ড’ বা চেইন অব কমান্ডের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য। এই চেইন অব কমান্ডই একটি বাহিনীকে যেকোনো বিপর্যয় মোকাবিলায় ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ রাখে।

 

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে আরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর, চৌকস, স্বয়ংসম্পূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও শতভাগ পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকারের বহুমুখী ও সুদূরপ্রসারী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

বর্তমান বিশ্বের আধুনিক রণকৌশলের দিকে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায়, যুদ্ধের ধরনে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ড্রোন প্রযুক্তি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশল আধুনিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অংশ হয়ে উঠেছে।

 

এই কঠিন বাস্তবতাকে অনুধাবন করে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকেও সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যাতে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আধুনিক প্রযুক্তিগত হুমকি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

 

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকলে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কখনোই সম্পূর্ণ নিরাপদ হতে পারে না।

 

এই কারণে দেশেই অত্যাধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আনুষঙ্গিক প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনের লক্ষ্যে শক্তিশালী দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশীয় প্রযুক্তি ও সক্ষমতার বিকাশ ঘটবে এবং বৈদেশিক মুদ্রারও সাশ্রয় হবে।

 

একই সঙ্গে তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একটি দুর্ভেদ্য রূপ দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর মধ্যে একটি সুসমন্বিত ও যুগপৎ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার অপরিহার্যতার কথা অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

 

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে বর্তমান সরকারের নেওয়া নানামুখী ও যুগান্তকারী উদ্যোগের কথাও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে। তিনি বলেন, যেকোনো বাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষতা নির্ভর করে এর সদস্যদের জীবনযাত্রার মান এবং মানসিক প্রশান্তির ওপর।

 

তাই সেনাসদস্যদের আবাসন, উন্নত চিকিৎসাসেবা, সন্তানদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, দেশি-বিদেশি আধুনিক প্রশিক্ষণ, নির্বিঘ্ন ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং অবসর গ্রহণের পর তাদের সম্মানজনক সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

 

জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সকল পর্যায়ের সদস্যদের বেতন ও ভাতা পদমর্যাদা অনুযায়ী ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত অভূতপূর্ব হারে বাড়ানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সেনাসদস্যদের অবসরকালীন জীবনযাপনের মান উন্নয়নে এবং দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন, যা সেনাসদস্যদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সঞ্চার করেছে।

 

ভাষণের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের একটি সুস্পষ্ট ও বলিষ্ঠ রূপরেখা প্রদান করেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেন, জাতীয় স্বার্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের অখণ্ড সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের আত্মমর্যাদা রক্ষা করাই হবে আগামী দিনের বাংলাদেশের মূল ও আপসহীন অঙ্গীকার।

 

বাংলাদেশ কখনোই কারও কাছে মাথা নত করবে না, বরং পারস্পরিক গভীর শ্রদ্ধা, সমঅধিকার ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সকল শান্তিপ্রিয় দেশের সঙ্গে গঠনমূলক বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং বহুমাত্রিক সহযোগিতার সম্পর্ক সুদৃঢ় ও প্রসারিত করতে চায়।

 

এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে তাদের মেধা, শ্রম ও দেশপ্রেম দিয়ে একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাবান বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।