২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় উত্তর তেমুহনির বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ভেঙে সেখানে শহীদ আফনানের নামে সাইনবোর্ড ঝুলান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এরপর আর কোনো পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়নি।
ঝুমুর এলাকার ইলিশ চত্বরের ইলিশের প্রতিকৃতি এখন নড়বড়ে হয়ে ঝুলছে। যেকোনো সময় খুলে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। দক্ষিণ তেমুহনির গোল চত্বর ভেঙে সম্প্রসারিত সড়কের মাঝে নতুন করে তৈরি হয়েছে শহীদ মাসরুর চত্বর। তবে অতিরিক্ত আয়তনের কারণে চালকদের টার্ন নিতে ভোগান্তি বাড়ছে।
তিনটি চত্বরেই রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পোস্টার-পেস্টুন আর নানা ধরনের বিজ্ঞাপনের দখল। শহরের সৌন্দর্য এখন কাগজ আর আঠার নিচে চাপা পড়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এসব চত্বর এখন পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে। ঝুমুর এলাকার ব্যবসায়ী রাশেদ মিয়া বলেন, ইলিশ চত্বরের ইলিশগুলো এমনভাবে নড়ছে, যেকোনো সময় খুলে পড়ে যেতে পারে।
উত্তর তেমুহনি এলাকার বাসিন্দা নাঈম হাসান বলেন, চারপাশে শুধু পোস্টার আর পোস্টার। এগুলো দেখে কেউ কি শহরের সৌন্দর্য বুঝবে? রিকশাচালক খোরশেদ আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাসরুর চত্বর এত বড় করে বানানোর দরকার ছিলো? এখন গাড়ি ঠিকমতো ঘোরানো যায় না, ভোগান্তি আমাদেরই। এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ ফারাভী বলেন, চত্বরে পোস্টার লাগানোর বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করা হয়। তবে আপাতত কোনো সংস্কার পরিকল্পনা নেই।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, শহরের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে শুধু পরিকল্পনা নয়, দ্রুত দৃশ্যমান কাজ শুরু করা হোক।