জানাজায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অপ্রতিমের স্বজন ও স্থানীয়রা অংশ নেন। এ সময় পুরো মাঠে শোকের আবহ তৈরি হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম নিখোঁজ হয়। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
অপ্রতিমের নিখোঁজের পর তাকে উদ্ধারে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালানো হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অপ্রতিমের স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
এসময় অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, 'আমার একটাই ছেলে, আমার ছেলে আপনাদের কুমিল্লা কুমিল্লার আকাশের নিচে আপনাদের ভালোবাসায় বড় হয়েছিল। আমি ওর বাবা হিসেবে আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।
যদি কোনো আচরণে আপনারা দুঃখ পান, আপনারা ক্ষমা করে দিবেন এবং ওর জন্য দোয়া করবেন ওর যেন বেহেশত নসিব হয়।' জানাজা শেষে অপ্রতিমের মরদেহ পরবর্তী দ্বিতীয় জানাজার জন্য গন্ধমতিতে নিয়ে যাওয়া হয়।