শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েল সৌদি আরবকে অনেক সাহায্য করেছে - ট্রাম্প

আর এন এস আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

ইসরায়েল সৌদি আরবকে অনেক সাহায্য করেছে - ট্রাম্প
ছবি : Collected

ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ বাহিনীর ক্রমবর্ধমান ও ধারাবাহিক হামলার মুখে সৌদি আরবকে ইসরায়েলের দেওয়া সহায়তার প্রস্তাব অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 

তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল ও সংঘাতপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের এই সহযোগিতামূলক মনোভাবকে 'অত্যন্ত সহায়ক' ও সময়োপযোগী বলে আখ্যায়িত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি অত্যন্ত জোরালোভাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অদূর ভবিষ্যতে রিয়াদ ও জেরুজালেমের মধ্যে বহুল আলোচিত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়াটি আবারও নতুন গতি পেতে পারে এবং একটি ঐতিহাসিক সমঝোতার পথে অগ্রসর হতে পারে।

 

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব কথা বলেন।

 

বর্তমান সংকটময় প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের কি ইসরায়েলের এই সামরিক ও কৌশলগত সহায়তার প্রস্তাব গ্রহণ করা উচিত, সাংবাদিকদের এমন একটি সরাসরি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "হ্যাঁ, অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।

 

ইসরায়েল এর আগেও সৌদি আরবকে অনেক ক্ষেত্রে সহায়তা করেছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবে।" মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

২০২০ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক আব্রাহাম চুক্তির ভবিষ্যৎ এবং সেখানে সৌদি আরবের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়েও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এই বহুপাক্ষিক চুক্তিতে রিয়াদের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা এখন কেমন, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, "হ্যাঁ, আমার তা-ই মনে হয়।

 

হয়তো আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও এখন এই সম্ভাবনা অনেক বেশি উজ্জ্বল। আব্রাহাম চুক্তি মার্কিন কূটনীতির অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত। আর আমি মনে করি, সৌদি আরব বর্তমানে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন পেয়ে খুবই সন্তুষ্ট।"

 

এই আলোচনার রেশ ধরেই গত মঙ্গলবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, সৌদি আরব তাদের কাছে কোনো ধরনের কৌশলগত সাহায্য চেয়েছে কি না।

 

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে এমন কোনো দেশ প্রায় নেই, যারা নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের কাছে সাহায্য চাইছে না।"

 

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নজিরবিহীন হামলার আগে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল যে, ইসরায়েল ও সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি যুগান্তকারী চুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। তবে ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সৌদি আরব বরাবরই তাদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে আসছে।

 

রিয়াদের পক্ষ থেকে বারবার স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হলে অবশ্যই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের একটি সুস্পষ্ট, বাস্তবসম্মত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রূপরেখা থাকতে হবে।

 

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল ইয়েমেনে গত জুলাই মাস থেকে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

 

ইয়েমেনের ভূখণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া সামরিক আগ্রাসনের পর থেকে হুথি বিদ্রোহীরাও তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার মাত্রা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা, সামুদ্রিক বাণিজ্যিক ট্যাংকার এবং রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একের পর এক অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

 

এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের সর্বশেষ ভয়াবহ ঘটনাপ্রবাহে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকার শুক্রবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেছে যে, হুথি বিদ্রোহীরা দক্ষিণ ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে দুটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

 

দেশটির তথ্যমন্ত্রী মোয়াম্মার আল-ইরইয়ানি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র দুটি কায়রোগামী ইয়েমেনিয়া এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমানের খুব কাছে পতিত হয়, যেটি ঠিক সেই মুহূর্তে রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

 

অল্পের জন্য সেখানে একটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এর ঠিক আগে ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুথিদের চালানো এক প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত এবং আরও ১৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যা ওই অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও বেশি নাজুক ও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

 

সংঘাতের এই চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক আগ্রাসনের কঠোর অভিযোগ এনেছেন।

 

তিনি দাবি করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবের যুদ্ধবিমানগুলো ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দালে, তাইজ, হোদেইদা, ধামার, মারিব, সাদা, আল-জাওফ, আমরান ও লাহজ প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকার বেসামরিক স্থাপনায় অন্তত ১০১টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইয়াহিয়া সারি তার বিস্তারিত বর্ণনায় জানান, খামিস মুশাইত ও তায়েফের সামরিক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা অত্যাধুনিক এফ-১৫ এবং টাইফুন যুদ্ধবিমান ও নাজরান থেকে ছোড়া দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এসব বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে।

 

তিনি অভিযোগ করেন, এই নির্বিচার হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু নিরীহ বেসামরিক মানুষ শহীদ এবং মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। হুথি মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই সামরিক উত্তেজনা শুরুর পর থেকে ইয়েমেনের ভূখণ্ডে সৌদি জোটের পরিচালিত মোট হামলার সংখ্যা ২ হাজার ৪৮৯-এ পৌঁছেছে।

 

যদিও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বা স্বাধীন কোনো মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থার পক্ষে সংঘাতপূর্ণ ওই দুর্গম এলাকায় গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

সৌদি আরবের অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান এই নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনায় নিয়ে সেখানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। গত ১৫ অক্টোবর তারিখে মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি জরুরি নিরাপত্তা সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, যা শুক্রবার ব্যাপকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

 

ওই সতর্কবার্তায় সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হুথিদের পরিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বিমানবন্দরে আকস্মিক হামলা, আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ হয়ে যাওয়া, বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটার প্রবল আশঙ্কা সম্পর্কে মার্কিন নাগরিকদের অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সতর্ক করা হয়েছে।

 

মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে নাগরিকদের বিমানবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো ফ্লাইটের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নেওয়ার এবং সর্বোপরি সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের দেওয়া সব ধরনের জরুরি নির্দেশনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

ইয়েমেন কেন্দ্রিক এই দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতে হুথি বিদ্রোহীদের এসব অত্যাধুনিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের প্রত্যক্ষ সামরিক, আর্থিক ও লজিস্টিক সমর্থন রয়েছে বলে সৌদি আরব এবং তার মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে।

 

তবে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি রিয়াদের এই গুরুতর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে বিবদমান পক্ষগুলো যদি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করে, তবে চলমান এই সংঘাত থামাতে তেহরান তার সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সামর্থ্য কাজে লাগাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে দেওয়া এক বিস্তারিত বিবৃতিতে বাকায়ি বলেন, গত ১২ বছরের দীর্ঘ সংঘাতময় ইতিহাস অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে যে, কোনো বিদেশি শক্তির অযাচিত সামরিক হস্তক্ষেপ এবং অন্যায্য অর্থনৈতিক অবরোধ কখনোই কোনো ভূ-রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।

 

তিনি অভিযোগ করেন, ব্রিটেন ও আমেরিকার মতো পশ্চিমা শক্তিগুলোর সাজানো ও অন্যায় অবরোধের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের স্বাধীনতাকামী জনগণ বছরের পর বছর ধরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলে আসছে।

 

বর্তমান এই ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে এবং একটি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই অঞ্চলের সব দেশেরই সম্মিলিত ও আন্তরিকভাবে কাজ করা উচিত বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। বক্তব্যের শেষাংশে ইসমাইল বাকায়ি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানগুলোতে ইরানের জড়িত থাকার যে দাবি করা হচ্ছে, তা আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।

 

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই দীর্ঘস্থায়ী ও বহুমাত্রিক সমস্যার একটি সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধানের জন্য সবার আগে ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে, দেশটিতে সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিদেশি সামরিক ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং বছরের পর বছর ধরে চলা অমানবিক আকাশ ও নৌ অবরোধের সম্পূর্ণ অবসান ঘটাতে হবে।

 

ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক দাবি করেন, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এবং নিজেদের একান্ত জাতীয় ও ভৌগোলিক স্বার্থ রক্ষার্থেই এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তাদের সামরিক সক্ষমতার পেছনে বহির্বিশ্বের ইন্ধন খোঁজার এসব দাবি কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়।

 

সর্বোপরি, মধ্যপ্রাচ্যের মতো একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল অঞ্চলে অকারণে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাক, তা ইরান কোনো দেশের জন্যই কল্যাণকর বা মঙ্গলজনক বলে মনে করে না বলে তিনি তার বক্তব্যে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।

 

- পার্সটুডে