গাজার চলমান যুদ্ধের বিষয়ে সর্বশেষ দফার আলোচনা রবিবার দোহায় শুরু হয়েছিল। এর প্রধান লক্ষ্য হলো একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করা। ট্রাম্পের মন্তব্যে এই আলোচনার সফলতার ব্যাপারে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে রওনা হওয়ার আগে রবিবার নেতানিয়াহু সাংবাদিকদের জানান, ইসরায়েলি আলোচকদের সুস্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ইসরায়েল যে শর্তগুলো মেনে নিয়েছে, সেগুলোর ভিত্তিতে যেন যুদ্ধবিরতি অর্জন করা হয়। তিনি বলেন, "আমরা অনেক বন্দিকে মুক্ত করতে পেরেছি, কিন্তু বাকি বন্দিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শীঘ্রই মুক্তি পাবে।" তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক এই চুক্তিকে "নিশ্চিতভাবে এগিয়ে নিতে" সাহায্য করবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের হামলায় ২৫১ জন ইসরায়েলিকে বন্দি করা হয়েছিল। এর মধ্যে এখনও ৪৯ জন গাজায় বন্দি আছেন, যার মধ্যে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী ২৭ জন মৃত। আল জাজিরার নূর ওদেহ জর্ডান থেকে জানিয়েছেন (কারণ ইসরায়েল আল জাজিরাকে ইসরায়েল এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সংবাদ পরিবেশন থেকে নিষিদ্ধ করেছে) যে, নেতানিয়াহু "ট্রাম্পের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেতে পারবেন না"। তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠকটি কেবল গাজা নয়, ইসরায়েলের আঞ্চলিক এজেন্ডার জন্যও "খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক" হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।