প্রতিবেদন অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সংঘর্ষের পর প্রক্টর এ তথ্য জানান। প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘এই বিষয়ে দুটি কমিটি গঠন করা হবে।
একটি হবে আইটি এক্সপার্টদের নিয়ে এবং আরেকটি হবে তদন্ত কমিটি। তাদের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে যারা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আইটি এক্সপার্টদের কমিটি হবে তিন সদস্যবিশিষ্ট। তারা ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করবে। পাশাপাশি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তারা পুরো ঘটনার তদন্ত করে রিপোর্ট দেবে।’
এর আগে রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে কথা-কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, আইসিটি বিভাগ ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের সামনে কয়েক দফা সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মেডিকেল সেন্টারের উপপ্রধান মাহমুদুল হাসান সোহাগ। তাঁদের মধ্যে আটজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের হাত ভেঙে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, লাইব্রেরিতে শুরু হওয়া কথা-কাটাকাটির পর বিষয়টি প্রক্টর অফিসে মীমাংসা করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে আবারও উত্তেজনা তৈরি হলে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ঘটনাটি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল পর্যন্ত গড়ায়।
ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। হলে আক্রমণের ঘটনাও কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।