এই ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে। কেবল বিলম্বই নয়, অনুষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও দর্শকরা চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন। ক্ষুব্ধ দর্শকদের অনেকেই এই কনসার্ট বয়কটের দাবি তুলেছেন। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলের অব্যবস্থাপনা এবং শিল্পীর বিলম্বিত উপস্থিতিতে দর্শকরা ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। চড়া মূল্যে টিকিট কেনার পরেও দীর্ঘ সময় ধরে এই ভোগান্তির শিকার হওয়ায় অনেকেই এটিকে 'টাকা নষ্ট এবং সময়ের অপচয়' বলে অভিহিত করেছেন।
দর্শকদের অসন্তোষ কেবল বিলম্বে সীমাবদ্ধ থাকেনি, অনুষ্ঠানের মান নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। একজন বিরক্ত দর্শক সামাজিক মাধ্যমে কটাক্ষ করে লিখেছেন, "কনসার্টের বিজ্ঞাপনে তো কোথাও লেখা ছিল না যে, মাধুরী একেকটা গানে দুই সেকেন্ড করে নাচবেন আর মাঝেমধ্যে গল্প করবেন! এটা কেমন অনুষ্ঠান?" অনেক দর্শক এই আয়োজনকে 'অত্যন্ত নিম্নমানের' আখ্যা দিয়ে আয়োজকদের কাছে টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় শুধু মাধুরী দীক্ষিতই নন, তার কানাডা সফরের কনসার্টের উদ্যোক্তারাও চরম সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা, সমন্বয়হীনতা এবং অপেশাদারিত্বের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিনোদন জগতের পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মাধুরী দীক্ষিতের এই বিতর্ক সাম্প্রতিক অতীতে গায়িকা নেহা কক্করের মেলবোর্ন কনসার্টকে ঘিরে তৈরি হওয়া অব্যবস্থাপনার বিতর্ককে পুনরায় উসকে দিল। কানাডায় ভক্তদের এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং সমালোচনার মুখেও মাধুরী দীক্ষিত বা তার ব্যবস্থাপনা দলের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। এই নীরবতা পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যায় এবং তা তার দীর্ঘদিনের সুপ্রতিষ্ঠিত ভাবমূর্তিতে কোনো প্রভাব ফেলে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।