শুটিং সেটে তৌসিফের ক্লান্তিহীন পরিশ্রম এবং সহকর্মীদের প্রতি সহযোগিতামূলক আচরণ নীলাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে শাম্মি ইসলাম নীলা অকপটে স্বীকার করেন যে, তিনি তৌসিফের কঠোর পরিশ্রম, কাজের প্রতি একাগ্রতা এবং দূরদর্শী চিন্তাভাবনার প্রেমে পড়ে গেছেন। তিনি তৌসিফকে একজন ‘অসাধারণ ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে অভিহিত করেন।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে নীলা বলেন, টানা ২৪ ঘণ্টা কাজ করার পরেও যখন সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়তেন, তখনো তৌসিফ মাহবুব অদম্য শক্তিতে কাজ চালিয়ে যেতেন। তিনি কেবল নিজের অভিনয়েই মনোযোগী ছিলেন না, বরং সেটের অন্যান্য সদস্যদেরও দিকনির্দেশনা দিচ্ছিলেন। কাজের অত্যধিক চাপের মধ্যেও তৌসিফ তাঁর ধর্মীয় অনুশাসন বা নামাজ আদায়ের বিষয়ে ছিলেন অত্যন্ত যত্নবান।
সহ-অভিনেতার এই গুণাবলি পুরো ইউনিটের সদস্যদের অনুপ্রাণিত করেছে বলে মন্তব্য করেন নীলা। তৌসিফ মাহবুবের ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করতে গিয়ে নীলা আরও বলেন, একজন মানুষ কতটা বহুমুখী গুণের অধিকারী হতে পারেন, তা তৌসিফকে না দেখলে বোঝা কঠিন। আগে থেকেই তিনি তৌসিফের অভিনয়ের ভক্ত ছিলেন, কিন্তু এই নাটকে কাজ করতে গিয়ে তাঁর ধৈর্য এবং ডেডিকেশনের নতুন এক রূপ দেখেছেন, যা তাঁকে নতুন করে মুগ্ধ করেছে।
‘ফার্স্ট লাভ’ নাটকটি শাম্মি ইসলাম নীলার ক্যারিয়ারের জন্য একটি বিশেষ মাইলফলক। এটি তাঁর প্রথম কাজ এবং প্রথমবার তিনি কোনো নাটকে প্রধান নারী চরিত্র বা নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন। নিজের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, তিনি সব সময়ই চেয়েছিলেন প্রধান চরিত্র দিয়েই অভিনয় জগতে পা রাখতে। শেষ পর্যন্ত সেই ইচ্ছে পূরণ হওয়ায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এটি কেবল একটি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা নয়, বরং একটি চমৎকার দলের সঙ্গে কাজ করার দারুণ অভিজ্ঞতা। দর্শকদের উদ্দেশে নীলা বলেন, ‘ফার্স্ট লাভ’ বা প্রথম প্রেম যেমন মানুষ কখনো ভুলতে পারে না, ঠিক তেমনি এই নাটকটিও দর্শকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
এটি তাঁর প্রথম কাজ হওয়ায় এর প্রতি তাঁর আবেগ এবং ভালোবাসা অনেক গভীর। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দর্শকরা নাটকটি দেখলে সেই ‘প্রথম প্রেমে’র অনুভূতিই ফিরে পাবেন। তৌসিফ ও নীলার এই নতুন রসায়ন দর্শকদের কতটা আকৃষ্ট করতে পারে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।