অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তাঁর উপস্থিতি এই நிகழ்வுக்கு ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে রবিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেই ঘোষণাই আজ বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এই ঘোষণাপত্রটি কেবল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পথচলার নির্দেশিকা নয়, বরং এটিকে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষার একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘোষণাপত্রে গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কার, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অঙ্গীকার এবং বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার রূপরেখাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এটিকে আগামী দিনের বাংলাদেশের জন্য একটি পথনকশা হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকরা। এই ঐতিহাসিক গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা এবং এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দেশের আগামী দিনের রাজনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গতিপথ নির্ধারণে আজকের এই ঘোষণাপত্র একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
---